Jisshu Sengupta। ‘শেষ কথাটা আর হয়নি’! রাহুলের মৃত্যুর পর কোন উপলব্ধি হয় যিশুর?

Spread the love

প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে রাহুল মারা গিয়েছেন। আজও গোটা ইন্ডাস্ট্রি তথা রাহুলের ভক্তরা তাঁকে ভুলতে পারেননি, এক মুহূর্তের জন্য। রাহুলের এই মৃত্যুটা এতটাই আকস্মিক ছিল, যার ফলে কিছু দিনের জন্য স্তম্ভিত হয়ে যায় সকলে। রাহুলের মৃত্যুর পর তাঁর করে যাওয়া একের পর এক কাজ মুক্তি পাচ্ছে বড় পর্দায়, যদিও রাহুল এখনও বিচার পাননি।

জীবিত অবস্থায় যে মানুষরা রাহুলের সবথেকে কাছের ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন যিশু সেনগুপ্ত। শুধুমাত্র যিশুর সঙ্গে নয়, অভিনেতার গোটা পরিবারের সঙ্গেই খুব ভালো সম্পর্ক ছিল রাহুলের। রাহুলের মৃত্যুর পর নিলাঞ্জনা এবং সানার পোস্টে সেই কথা বারবার উঠে আসে।

যিশুর বৈবাহিক সম্পর্কে যখন টানাপোড়েন চলে, সেই সময়ও ছোট ভাইয়ের কর্তব্য করতে কখনও পিছপা হননি রাহুল। একদিকে নিলাঞ্জনা অন্যদিকে যিশু, দুজনকেই সমান ভাবে সামলেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ছোট ভাইয়ের ফোন না ধরতে পারার যন্ত্রণা কুরে কুরে খায় যিশুকে।

সম্প্রতি আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যিশু বলেন, ‘রাহুল আমার ছোট ভাইয়ের মতো। ছিল বলব না এখনো আছে আর সারা জীবন থাকবে। ওর সঙ্গে একটা বিষয় নিয়ে কথা বলার ছিল। কিন্তু সেই সময় কথা বলার মতো মানসিক অবস্থা আমার ছিল না, তাই ওর ফোনটা ধরতে পারিনি। পরে ও অনেকবার ফোন করেছিল কিন্তু সেই ফোনটা আর ধরা হয়নি। ও আমায় কি বলতে চেয়েছিল সেটা আর সারা জীবন শোনাই হলো না।’

 

রাহুলের মৃত্যুর পর যিশুর উপলব্ধি, এইভাবে আকস্মিক একজন কাছের মানুষকে হারিয়ে এখন যিশু চেষ্টা করেন যাকে যা বলার সেটা বলে দিতে। ভালো হোক অথবা খারাপ, অভিমান হোক অথবা রাগ সবকিছুই তিনি বলে দিতে চান। অপেক্ষা করতে চান না। এই অপেক্ষায় অনেক সময় না বলা কথা হয়ে থেকে যায়। তাই রাহুলের মৃত্যুর পর আর যেন কোনও আক্ষেপ না থেকে যায় তার জন্যই মনের কথা আর মনে চেপে রাখেন না তিনি।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ‘অভিমান’ । যিশু আর সৌরভের যৌথ প্রযোজনা সংস্থা হোয়াই সো সিরিয়াস প্রযোজনা সংস্থার অধীনে তৈরি হওয়া এই ছবিটি ইতিমধ্যেই দর্শকদের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে। ছবিতে শুভশ্রী এবং প্রসেনজিৎ ছাড়া অভিনয় করেছিলেন যিশু নিজেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *