Kalyan on argument with Mamata। ‘কথা কাটাকাটির’ জেরে মমতার হাত ছেড়ে দিচ্ছেন?

Spread the love

Kalyan on argument with Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘কথা কাটাকাটি’-র ঘটনায় মর্মাহত হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তা বলে যে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ছেড়ে দেবেন, সেই সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে যেভাবে ‘অপমানিত’ হতে হল, তারপর তিনি মমতার হাত ছেড়ে দেবেন কিনা, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কিছুটা বিরক্ত হয়ে যান কল্যাণ। তিনি পালটা প্রশ্ন করেন, ‘এটা কী ধরনের প্রশ্ন?’

‘এরকম অপমান আমার প্রাপ্য নয়’, বললেন কল্যাণ

তবে একুশে জুলাইয়ের ঘটনায় যে তিনি ‘মর্মাহত’ হয়ে গিয়েছেন, তা গোপন করেননি কল্যাণ। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আমি নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করিনি। আমি যখন কথা বলছিলাম, তখন মঞ্চে ওঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওঠে। তাই আমার ভাষণ থামিয়ে দিতে হয়। তারপর দিদি ঢোকে। তখন ফের আমি ভাষণ থামিয়ে দিই। আমি একেবারেই সময়সীমা অতিক্রম করে যাইনি। কিন্তু এরকম অপমান আমার প্রাপ্য নয়। এমন আচরণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। যখন অন্যরা সবাই দল ছেড়ে চলে গিয়েছে, তখন আমি দলের জন্য এত কঠোর লড়াই করছি। আমি এটার যোগ্য নই।’

সাড়ে ২২ মিনিট ধরে কথা বলেন কল্যাণ

আর বক্তৃতার সেই সময় নিয়েই মমতার সঙ্গে কল্যাণের ‘কথা কাটাকাটি’ হয়ে বলে একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। মমতাপন্থী তৃণমূল শিবির সূত্রে খবর, বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে যে সভা ছিল, তার বক্তা তালিকা বেশ লম্বা ছিল। তাই সকল নেতাকেই সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রায় সাড়ে ২২ মিনিট ধরে কথা বলেন কল্যাণ। সেইসময় আক্রমণ শানান বিজেপি সরকার এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী শিবিরকে।

কল্যাণকে দ্রুত ভাষণ শেষ করার নির্দেশ মমতার

তারইমধ্যে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে চলে আসেন মমতা। মঞ্চে হাজির থাকা নেতারা দাবি করেছেন, কল্যাণের বক্তৃতার সময় এসে মমতা নির্দেশ দেন যে শ্রীরামপুরের সাংসদ যেন দ্রুত ভাষণ শেষ করে নেন। কিন্তু তারপরও ভাষণ চালিয়ে যেতে থাকেন কল্যাণ। সেই পরিস্থিতিতে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও তাঁকে ভাষণ থামানোর ইঙ্গিত করেন বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

মমতার সঙ্গে ‘কথা কাটাকাটি’ হয় কল্যাণের

পরবর্তীতে কল্যাণের ভাষণ যখন শেষ হয়, তখন মমতা নাকি ক্ষোভপ্রকাশ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মমতার সঙ্গে ‘কথা কাটাকাটি’ হয় কল্যাণের। তারপর রেগে চলে যান মঞ্চ ছেড়ে। শোনেননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং মমতার ভাষণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *