NEET Topper on Question Leak Protest: সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উত্তাল হয়েছে দেশ। দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে বিক্ষোভ। রাস্তায় নেমেছেন পড়ুয়ারা। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি তোলা হচ্ছে। সেই আবহে এবার নিটে (নতুন করে নেওয়া পরীক্ষায়) দ্বিতীয় স্থানাধিকারী পানশুল বনশল স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা বাতিল হওয়ার পরে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেটাকেই একটা সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন। ভেবেছিলেন যে বাড়িতে বসে যখন পড়াশোনা করতে পারবেন, নিটের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন, তখন কেন প্রতিবাদে শামিল হবেন?
‘না পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে যাব কেন?’, বললেন নিট ‘টপার’
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি ভেবেছিলাম যে আমি কেন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যাব? আমি বরং বাড়িতে পড়তে পারি। আমার দক্ষতা বাড়াতে পারি এবং আমার নিজের স্কোর বাড়াতে পারি।’
হতাশার মধ্যেই ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছিলেন
সেইসঙ্গে ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ৩ মে নিট দিয়ে ভেবেছিলেন যে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে সুযোগ পেয়ে যাবেন। কিন্তু সেই পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ায় প্রাথমিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। পরে অবশ্য সেটার ইতিবাচক দিক খুঁজে নিয়েছিলেন। জোর দিয়েছিলেন ২১ জুন হওয়া নিট পরীক্ষার প্রস্তুতিতে। আর সেই রেশ ধরেই এবার নিটে ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৭১৫ পেয়েছেন (পার্সেন্টাইল ৯৯.৯৯৯৯) বলে জানিয়েছেন দিল্লির ছেলে।
পড়ুয়াদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার রাহুলদের, দাবি শিক্ষামন্ত্রীর
তারইমধ্যে নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযান এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে লোকসভার বিরোধী দলনেতার রাহুল গান্ধীর ধরনা নিয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেছেন, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থেই পড়ুয়াদের স্রেফ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বিরোধীরা।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, ‘সংসদের বাদল অধিবেশনের সময় জোর করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে নির্লজ্জের মতো পড়ুয়াদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে চলেছেন রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘রাহুল গান্ধীর কাছে এটা পড়ুয়াদের বিষয় নয়। আলোচনার সমস্ত প্রকৃত পথ খোলা থাকার পরেও সংঘাত জিইয়ে তোলার বিষয়টিই তাঁর কাছে মুখ্য।’

পড়ুয়াদের কী বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর?
সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘নেহাতই ক্ষোভ প্রকাশের থেকেও পড়ুয়াদের কাছে বেশি কিছু করার দায়বদ্ধতা রয়েছে আমাদের। তাঁদের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা হল—জবাব দেওয়া, সংস্কার সাধন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। আর ঠিক এই বিষয়গুলোই বাস্তবায়নে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’