বুধবার গভীর রাতে কর্ণাটকে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় জীবন্ত দগ্ধ হয়ে ১৩ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে নয়জন। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার রাত তিনটে নাগাদ গোরলাথু গ্রামের কাছে ৪৮ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে একটি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এরপরই বাসে আগুন ধরে যায়। বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে শিবমোগা যাচ্ছিল বাসটি। দুর্ঘটনার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় বাসে। ফলে যাত্রীরা বাস থেকে বেরিয়ে আসার ন্যূনতম সুযোগটাও পাননি।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
তারইমধ্যে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করতে পুলিশ ও দমকল বাহিনীর দল ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। কয়েকজন যাত্রী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আধিকারিকদের। আহতদের হিরিয়ুর ও চিত্তাগুরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

লরির চালক ঘুমিয়ে পড়ায় দুর্ঘটনা?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হিরিয়ুর গ্রামীণ থানা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, লরি চালক ডিভাইডার পেরিয়ে বাসে ধাক্কা মারেন। তার জেরেই আগুন লাগে। পুলিশের ধারণা, লরি চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, যার কারণে তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ‘তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। দুর্ঘটনার পরে ৪৮ নম্বর জাতীয় সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।