Kolkata Home EMI-Salary Ratio: মাসিক আয়ের ২৫ শতাংশ টাকা বেরিয়ে যায় ইএমআই মেটাতে – কলকাতায় যাঁরা বাড়ি কেনেন, তাঁদের আর্থিক পরিস্থিতি এরকমই হয় বলে একটি সমীক্ষায় জানানো হল। বিশ্বের অন্যতম প্রথমসারির আবাসন সংক্রান্ত উপদেষ্টা সংস্থা নাইট ফ্র্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার সূচকে ভারতের দ্বিতীয় সাশ্রয়ী আবাসন বাজারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে কলকাতা। আর যে সূচকের নিরিখে কলকাতাকে সেই তকমা দিয়েছে ওই উপদেষ্টা সংস্থা, তাতে জানানো হয়েছে যে ইএমআই মেটাতে গড়ে মাসিক আয়ের এক-চতুর্থাংশ হয় মহানগরীর বাড়িক্রেতাদের। অর্থাৎ ১০০ টাকা আয় করলে ইএমআই মেটাতে খরচ হয় ২৫ টাকা। সেখানে কলকাতার থেকে একমাত্র সাশ্রয়ী হল গুজরাটের আমদাবাদে। সেখানে মাসিক আয় ১০০ টাকা হলে ইএমআই মেটাতে ২৩ টাকা খরচ হয়।
বাণিজ্যিক সংস্থার কাছে আকর্ষণীয় স্থান কলকাতা
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাড়ি এবং অফিসের দাম বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু কলকাতার ক্ষেত্রে গ্রাফটা সেরকমভাবে ওঠেনি। সেই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে অফিস তৈরির অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা হয়ে উঠেছে কলকাতা। কারণ কলকাতায় অফিস চালানোর খরচ যেমন হবে, তেমনই সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মীরাও তুলনামূলকভাবে কম খরচে ভালো বাড়িতে থাকতে পারবেন।
নয়া সরকারের আমলে শিল্পের রমরমা হবে কলকাতায়?
সংশ্লিষ্ট মহল আশাবাদী যে নয়া সরকার আসার পরে পশ্চিমবঙ্গে অফিস এবং বাড়ি কেনার প্রবণতা বাড়ছে। কারণ শিল্পের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে অফিস এবং বাড়ির চাহিদা। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে একাধিক সংস্থার তরফে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিনিয়োগেরও ঘোষণা করে দিয়েছে কয়েকটি কোম্পানি।

কোন শহর আয়ের সবথেকে কম অংশ EMI-তে দেয়?
১) আমদাবাদ: ২৩ শতাংশ।
২) কলকাতা: ২৫ শতাংশ।
৩) পুণে: ২৮ শতাংশ।
৪) চেন্নাই: ২৯ শতাংশ।
৫) বেঙ্গালুরু: ৩৫ শতাংশ।
৬) হায়দরাবাদ: ৪১ শতাংশ।
৭) দিল্লি NCR: ৬৭ শতাংশ।
৮) মুম্বই: ৬৯ শতাংশ।