অফিসের জায়গা ভাড়া বা লিজ নেওয়ার চাহিদা বৃদ্ধিতে দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অধিকার করল কলকাতা। আবাসন উপদেষ্টা নাইট ফ্র্যাঙ্কের সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের আটটি বড় শহরের মধ্যে অফিসের জায়গা ভাড়া নেওয়ার বৃদ্ধির নিরিখে কলকাতা সবথেকে এগিয়ে আছে। গত বছর কাজের জন্য ‘সিটি অফ জয়’-তে অফিস ভাড়া নেওয়ার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৯ শতাংশ। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে বেঙ্গালুরু। সেখানে চাহিদা বেড়েছে ৫৯ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে আছে পুণে। সেখানে চাহিদা বেড়েছে ৩৬ শতাংশ। আবার মুম্বই এবং আমদাবাদের মতো শহরে আবার চাহিদা হ্রাস পেয়েছে। বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ে কাজের জায়গা ভাড়া নেওয়ার চাহিদা কমেছে পাঁচ শতাংশ। আমদাবাদে চাহিদা ৩৪ শতাংশ কমে গিয়েছে।
আলোর নীচে অন্ধকার – কলকাতার কাহিনি
তবে সার্বিকভাবে অফিসের জন্য জায়গা ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে গেলে কলকাতার ক্ষেত্রে প্রদীপের আলোর নীচেই অন্ধকার মিলবে। কারণ ওই সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে পরিমাণের নিরিখে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে কলকাতার অবস্থান। আটটি শহরের মধ্যে সাত নম্বরে আছে কলকাতা।
বেঙ্গালুরু শীর্ষে, আমদাবাদ একেবারে শেষে
সমীক্ষা চালানো সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালে কলকাতায় অফিসের জন্য ২৩ লাখ বর্গফুটের মতো জায়গা ভাড়া বা লিজ নেওয়া হয়েছে। সেখানে শীর্ষে থাকা বেঙ্গালুরুতে অফিসের জন্য জায়গা ভাড়া নেওয়া হয়েছে ২.৯ কোটি বর্গফুট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দিল্লি ও রাজধানী সংলগ্ন অঞ্চলে সেটা ১.১৪ কোটি বর্গফুট ছিল। আর তৃতীয় স্থানাধিকারী হায়দরাবাদে ১.১৩ কোটি বর্গফুট জায়গা ভাড়া নেওয়া হয়েছে অফিসের জন্য। সার্বিকভাবে পরিমাণের নিরিখে ২০২৫ সালে অফিসের কাজের জন্য সবথেকে কম পরিমাণ জায়গা ভাড়া নেওয়া হয়েছে আমদাবাদে (২০ লাখ বর্গফুট)।

তবে আশার আলো দেখাচ্ছে কলকাতা
তা সত্ত্বেও কলকাতায় অফিসের জায়গা ভাড়া নেওয়ার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই বিবেচনা করছেন নাইট ফ্র্যাঙ্কের আধিকারিকরা। আবাসন উপদেষ্টার সিনিয়র ডিরেক্টর জয়দীপ পাল জানিয়েছেন, এক দশকে কলকাতায় সবথেকে বেশি পরিমাণ অফিস ভাড়া নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালেই। সেই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট যে কলকাতা বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। ফলে কলকাতার অর্থনীতি নিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নাইট ফ্র্যাঙ্কের সিনিয়র ডিরেক্টর। সেইসঙ্গে তিনি আশাপ্রকাশ করেছেন, ২০২৫ সালে যে ছন্দ পেয়েছে