Kunal Ghosh on Dev: তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের মধ্যে দেবও আছেন বলে একাধিক মহলে দাবি করা হয়েছে। সেই আবহেে ঘাটালের সাংসদ দেবকে খোঁচা দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের সাক্ষাৎকারে কুণাল বলেন, ‘দেব বাংলা সিনেমার এক নম্বর সুপারস্টার। এটা নিয়ে কোনও কথা নেই। দেব বাংলা সিনেমার এক নম্বর সুপারস্টার। দেবকে আমি ভালোবাসি। দেব বাংলা সিনেমায় এক নম্বর জায়গায় আছে এবং থাকবে। ওর রাজনৈতিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কিছু আপত্তি ছিল। আমার আপত্তি ঠিক না ভুল, আজ নিশ্চয়ই নেত্রী (তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বুঝতে পারছেন।’
লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি কাকলির
যদিও দেব নিজে মুখ খোলেননি যে তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছন, ২০ জন সাংসদের স্বাক্ষর নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি জমা দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে যে তাঁরা বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএয়ের সঙ্গে চলতে যান। তবে কাদের কাদের স্বাক্ষর আছে সেই চিঠিতে, তা খোলসা করেননি কাকলি।
বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় কারা কারা আছেন?
সূত্রের খবর, বিক্ষুব্ধ সাংসদের তালিকায় বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়, বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রামের সাংসদ কালীপদ সোরেন, মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, হাওড়ার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকারদের নামও আছে। এমনকী নাম শোনা যাচ্ছে ঘাটালের সাংসদ দেব এবং হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। এমনকী আজ সন্ধ্যায় দিল্লিতে শতাব্দীর বাসভবনে আসেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে ঢুকতে দেখা যায় জুনকেও।

‘দেখিয়ে দিয়ে যাব আমার রক্তে বেইমানি নেই’, দাবি কুণালের
সেই আবহে রাজনৈতিক মহল মনে করছে যে পরিষদীয় দলের পরে তৃণমূলের সংসদীয় দলও হাতছাড়া হওয়ার পথে মমতার। বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ‘মডেল’ কার্যকর হয়েছে। সংসদে কার্যকর হওয়ার পথে কাকলি ‘মডেল’। সেই পরিস্থিতিতে কুণাল বলেছেন, ‘আমি হয়ত অনেকের কাছে খারাপ। কিন্তু এতটা খারাপ নই যে দলের সঙ্কটের সময় নিজের অঙ্ক কষে পালাব।দল আমাকে জীবনের কঠিন দিনে অকারণ অপবাদের বিপদে ফেলে পাশে দাঁড়ায়নি। কিন্তু দলের বিপদে আমি সঙ্গে থেকে দেখিয়ে দিয়ে যাব আমার রক্তে বেইমানি নেই। আমি কুণাল ঘোষ। যাঁরাই থাকবেন দিদির সঙ্গে, সহযোদ্ধা হিসেবে আছি।’