Mamata praises Abhishek: বিপদের দিনেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করলেন, যাঁরা এখন তৃণমূল কংগ্রেসের (কালীঘাট শিবির) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, তাঁদের বরং অভিষেককে দেখা উচিত যে কীভাবে লড়াই করতে হয়। একের পর এক মামলা থাকা সত্ত্বেও ‘সেটিং’ করে অভিষেক মাথানত করেননি বলে দাবি করেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘তাঁরা একটু শিক্ষা নিন (অভিষেকের থেকে)। অভিষেকের কাছে অনেক খারাপ আপনাদের কাছে। বাহানা হয়ে গিয়েছে। তো অভিষেকের বউ যদি দেড় বছরের বাচ্চাকে নিয়ে সিবিআই অফিসে যেতে পারে সাক্ষী দিতে……। তখন আপনাদের মনে নেই? ২৫-৩০টি কেস দেওয়া হয়েছে (অভিষেককে)। সেটা সহ্য করছে। একটু সেটিং করে নিলে সব থেকে রিলিফ হতে পারত।’
‘অভিষেকের সব অন্যায় ক্ষমা হয়ে গিয়েছে…..’
সেইসঙ্গে নাম না করে অনুব্রত মণ্ডল-সহ বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাকর্মীরা যে অভিষেককে নিশানা করছেন, সেই আবহে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অভিষেকের সব অন্যায় ক্ষমা হয়ে গিয়েছে, যদি আপনাদের চোখে কোনও অন্যায়ও করে থাকে। সে আজকে লড়ে যাচ্ছে বাঘের মতো। এরাই লড়বে। কারণ এরাই আগামী ৫০ বছর রাজনীতি করবে।’
অভিষেকের জন্যই জেলে যেতে হয়েছিল, বিস্ফোরক অনুব্রত
আর মমতা যেদিন সেই মন্তব্য করেছেন, সেদিনই বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে যোগ দিয়েছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক। নাম না করে অভিষেকের দিকে আঙুল তুলেছেন। একইসুরে অনুব্রত বলেছেন, ‘আমি কেন জেলে গেলাম? কার জন্য গেলাম? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য (জেলে) গেলাম।’

মমতা ‘চোখে দেখ না, কানে দেখ তুমি’, বলেন কেষ্ট
মমতার ‘প্রিয়’ কেষ্ট দাবি করেন, বিধানসভা ভোটের পরে তৃণমূল নেত্রী তাঁকে ফোন করেছিলেন চারবার। সেইসময় নাকি মমতাকে অনুব্রত বলেছিলেন যে ‘চোখে দেখ না, কানে দেখ তুমি।’ শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেছেন যে অভিষেকের জন্যই আজ তৃণমূলের এরকম দশা। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের জন্যই তৃণমূল ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন অনুব্রত