Mothabari Judge Gherao Update। মালদায় বিচারক ঘেরাও কাণ্ডে TMC প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট সহ একাধিক নেতাকে তলব NIA-র

Spread the love

মালদার মোথাবাড়িতে বিচারপতিদের আটকে রাখার ঘটনায় একাধিক তৃণমূল নেতাকে তলব করল এনআইএ। রবিবার দুপুরে কালিয়াচক থানায় তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সুজাপুরের তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুল রহমানকেও তলব করা হয়েছে আজ। জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে নোটিস পান সাবিনার এজেন্ট। তিনি জেলা পরিষদের বন ও ভূমি দফতরের কর্মাধ্যক্ষ। তলব পাওয়া তৃণমূল নেতাদের মধ্যে আছেন কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি মহম্মদ সরিউলকেও।

উল্লেখ্য, মালদার কালিয়াচকে গত ১ এপ্রিল যে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এতকিছু ঘটেছিল, সেখানে শুরু থেকে ছিলেন মোথাবাড়ির বিদায়ী বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন। উল্লেখ্য, এবার সাবিনাকে মোথাবাড়ির বদলে সুজাপুর থেকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সাবিনাকে ১ এপ্রিলের সেই বিক্ষোভে বিডিও অফিসের একদম গেটের সামনে বসে স্লোগান তুলেছিলেন।

এর আগে মালদার কালিয়াচকে বিচারক ঘেরাও কাণ্ডে এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা মোথাবাড়ি বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরীকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেছিল। এছাড়া কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসি-র মালদা জেলা কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি আসিফ শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এই মামলায়। গোলাম রব্বানি নামে স্থানীয় এক আইএসএফ কর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়। এর আগে এই মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন মোথাবাড়ি বিধানসভার আইএসএফ প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলি কাদেরি। এছাড়াও সিআইডি গ্রেফতার করেছিল এআইএমআইএম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। সেই ঘটনার নেপথ্যে অন্যতম ‘মাথা’ এই মোফাক্কেরুল ছিল বলে অভিযোগ। প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে ঘেরাও ছিলেন ৭ বিচারক। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস থেকে যখন বিচারকদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সেই কনভয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ কনভয়ের গাড়ির কাচ ভেঙেছে সেই হামলায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *