২০২৩ সালের জুন মাসে আচমকা বিচ্ছেদের খবর জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী নবনীতা দাস। ভালোবেসে অভিনেতা জীতু কমলকে বিয়ে করেছিলেন, তাঁরা টেলিপাড়ার অন্যতম স্মার্ট জোড়ি হিসাবেই পরিচিত ছিল, দুজনের আলাদা হওয়াটা তাই অনেকের কাছেই ছিল শকিং!
বছর ঘোরবার পর আইনিভাবে আলাদা হন দুজনে। ডিভোর্স নিয়ে নানান জল্পনা উঠে এসেছে নানান সময়ে। কখনও জীতু-নবনীতার মাঝে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন, কখনও জীতুর সাফল্য়। তবে সরাসরি কেউই বিচ্ছেদের কারণ জানাননি। তবে জীতুর পরকীয়া গুজবে জল ঢেলেছিলেন নবনীতা। সাফ জানিয়েছিলেন, কোনও তৃতীয় ব্যক্তির জন্য তাঁদের সম্পর্ক ভাঙেনি।
বিচ্ছেদের পর নিজের মতো করে জীবন গুছিয়ে নিচ্ছেন নবনীতা। ছোটপর্দা থেকে আপতত দূরে অভিনেত্রী। কিন্তু সোশ্য়াল মিডিয়ায় প্রচণ্ড অ্য়াক্টিভ জীতুর প্রাক্তন স্ত্রী। এবার থাইল্য়ান্ডের সাদা বালি গায়ে মেখে রেড হট বিকিনিতে পোজ দিলেন নায়িকা।
কখনও সাগরপারে বসে সমুদ্র দেখতে দেখতে হারিয়ে গেলেন, কখনও আবার সুইমিং পুলের নীল জলে গা ভিজিয়ে নিলেন। থাইল্যান্ডে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটছে নবনীতার। টুকরো ঝলক উঠে এসেছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
একটা সময় স্টার জলসার পর্দায় মা তারার চরিত্রে নবনীতাকে দেখেছে দর্শক। তাঁর এই ভোলবদল অনেকের চোখেই তাই অশালীন ঠেকেছে। যদিও নিজের মতো করে জীবন কাটাচ্ছেন নবনীতা। ট্রোলিংকে পাত্তা দিতে না-রাজ তিনি। প্রাক্তন সম্পর্ক বা প্রাক্তন স্বামী নিয়ে ভাবিত নন।
হালে জীতু-দিতিপ্রিয়ার ধন্ধুমার কাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছিলেন নবনীতা। স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, জীতু পেশাদার অভিনেতা। নবনীতা বলেছিলেন, ‘ওকে নিপাট ভালো মানুষ বলেই চিনি। আমাদের সম্পর্ক থাকাকালীনও এরকম কিছু করেনি জীতু যার জন্যে ওঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়। এরকম অভিযোগ শুনে অবাকই হচ্ছি! আসলে জীতু সেটে বরাবরই কম কথা বলে। নিজের মতো থাকে অধিকাংশ সময়। ওর ব্যক্তিত্ব সেরকম নয়। তবে জীতুর রসবোধ সূক্ষ্ম। বেশি কথা বলে বোঝাবার প্রয়োজন হয় না।’

একসঙ্গে অভিনয় করতে গিয়েই আলাপ দুজনের। সেখান থেকেই প্রেম-বিয়ে। ভাগ্যের পরিহাসে পথ আলাদা হয়েছে, তবে প্রাক্তনের প্রতি সম্মান বজায় রেখেছেন দুজনেই।