Nepal Flash Flood। নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান! শুটিংয়ে গিয়ে আটকে খরাজ-রজতাভ

Spread the love

নেপালের চীন সীমান্ত সংলগ্ন রসুয়া জেলায় আচমকা তৈরি হওয়া ভয়াবহ হড়পা বানের (Flash Flood) তাণ্ডবে পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্গিন রূপ নিয়েছে। রাস্তাঘাট, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ধসে পড়ায় সেখানে একটি নতুন ছবির শুটিং করতে গিয়ে আটকে পড়েছেন টলিউডের দুই প্রখ্যাত অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় এবং রজতাভ দত্ত। খরাজের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী এবং শুটিং দলের অন্যান্য সদস্যরাও সেখানে রয়েছেন। বাংলাদেশের একটি ছবির শ্যুটিংয়ের কাজে নেপালে গিয়েছেন টলিউডডের এই দুই শিল্পী।

অভিনেতাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও বক্তব্য:

নিরাপদে রয়েছেন: খরাজ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তাঁরা বর্তমানে হোটেলেই অবস্থান করছেন এবং নিরাপদে আছেন। গত ২০ তারিখ তাঁরা নেপালে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পৌঁছানোর পর থেকেই প্রবল বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বারবার শুটিং ব্যাহত হয়। অত্যন্ত কষ্ট করে বৃষ্টির মধ্যেই শুটিং শেষ করতে হয়েছে তাঁদের।

ফ্লাইট মিস ও বিকল্প পরিকল্পনা: দুর্যোগের কারণে কাঠমান্ডু যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সকালের বিমানটি তাঁরা ধরতে পারেননি। ফলে সড়কপথে ভারত সীমানার কাছে গোরক্ষপুর পৌঁছে সেখান থেকে ২৮ তারিখে সরাসরি কলকাতার বিমান ধরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চিত্র:

তিব্বত থেকে নেমে আসা ভোতে কোশি নদীতে আচমকা জলস্তর মারাত্মক বৃদ্ধি পাওয়ায় তিমুরে ও স্যাফ্রুবেশি-সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাজার, রাস্তা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বহু পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন, যার মধ্যে শতাধিক ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। আপাতত নেপাল সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধারে নেমেছে এবং দুর্যোগের কবলে থাকা ভারতীয়রা নিরাপদে ফিরে আসার পথ খুঁজছেন।

অভিনেতাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও বক্তব্য:

নিরাপদে রয়েছেন: খরাজ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তাঁরা বর্তমানে হোটেলেই অবস্থান করছেন এবং নিরাপদে আছেন। গত ২০ তারিখ তাঁরা নেপালে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পৌঁছানোর পর থেকেই প্রবল বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বারবার শুটিং ব্যাহত হয়। অত্যন্ত কষ্ট করে বৃষ্টির মধ্যেই শুটিং শেষ করতে হয়েছে তাঁদের।

ফ্লাইট মিস ও বিকল্প পরিকল্পনা: দুর্যোগের কারণে কাঠমান্ডু যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সকালের বিমানটি তাঁরা ধরতে পারেননি। ফলে সড়কপথে ভারত সীমানার কাছে গোরক্ষপুর পৌঁছে সেখান থেকে ২৮ তারিখে সরাসরি কলকাতার বিমান ধরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চিত্র:

তিব্বত থেকে নেমে আসা ভোতে কোশি নদীতে আচমকা জলস্তর মারাত্মক বৃদ্ধি পাওয়ায় তিমুরে ও স্যাফ্রুবেশি-সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাজার, রাস্তা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বহু পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন, যার মধ্যে শতাধিক ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। আপাতত নেপাল সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধারে নেমেছে এবং দুর্যোগের কবলে থাকা ভারতীয়রা নিরাপদে ফিরে আসার পথ খুঁজছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *