Nobel peace prize winner to Trump। ‘আমরা…..’, নোবেল পুরস্কারজয়ীর কথায় আরও জ্বলবেন ট্রাম্প?

Spread the love

মারিয়া কোরিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ করলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। মাচাদো তাঁর এক্স পোস্টে ভেনেজুয়েলার লড়াইয়ে সমর্থনের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় সবসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তাকে গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।

তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার সমস্ত নাগরিকের সংগ্রামের এই বিশাল স্বীকৃতি আমাদের কাজ সম্পাদনের অনুপ্রেরণা। আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি এবং আজ আমরা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনের জন্য আমাদের প্রধান মিত্র হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, লাতিন আমেরিকার জনগণ এবং বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর ওপর নির্ভর করছি।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়াকে এই বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। মারিয়া গভীর অন্ধকারের মধ্যে গণতন্ত্রের শিখা জ্বালিয়ে রাখেন। মাচাদো ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের একজন প্রমুখ ব্যক্তিত্ব। তিনি কয়েক দশক ধরে দমনমূলক শাসনের বিরোধিতা করেছেন। সেজন্য তাঁকে বহুবার হুমকি দেওয়া হয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে হয়রানিও করা হয়েছে। এত কিছু সহ্য করার পরেও মাচাদো ভেনেজুয়েলা ছাড়েননি।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিনিয়ত নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পক্ষে সওয়াল করে আসছিলেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি আটটি যুদ্ধ বন্ধ করেছেন। তাই তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া উচিত। যদিও তাঁর ভাগ্যে শিঁকে ছেড়েনি। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। নেটিজেনরা বলতে শুরু করেছেন, এবার কি রেগে গিয়ে বাড়তি শুল্কের ঘোষণা করবেন ট্রাম্প? 

যদিও হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ একেবারেই হাসির মেজাজে নেই। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এক্সে একটি পোস্টে বলেছেন যে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তি চুক্তি, যুদ্ধ থামানো এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টা ক্রমাগত চালিয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও সওয়াল করেছেন যে ট্রাম্পেরও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *