অনেকদিন ধরে অলীক কল্পনার জগতে বসেছিল পাকিস্তান। সেই ‘সুখ’-টা কেড়ে নিল ভারতীয় বায়ুসেনা। অপারেশন সিঁদুরের সময় থেকে পাকিস্তানের একটি মহলের তরফে মিথ্যে ছড়ানো হচ্ছিল যে ভারতীয় বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিংকে নাকি আটক করা হয়েছে। সেটা এমনই হাস্যকর পর্যায়ের দাবি ছিল যে ভারতের তরফে পাত্তাও দেওয়া হয়নি। উত্তর দেওয়া তো দূরের ব্যাপার ছিল।
শুক্রবার ভারতীয় বায়ুসেনার ট্রেনিং কম্যান্ডের তরফে ছবি পোস্ট করে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার তামিলনাড়ুর তাম্বরমে ‘কোয়ালিফায়েড ফ্লাইং ইনস্ট্রাকটর’-র ব্যাজ তুলে দেওয়া হয়েছে স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গীর হাতে। স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী ছাড়াও মোট ৫৮ জন সেই ব্যাজ অর্জন করেছেন। অর্থাৎ সবমিলিয়ে ৫৯ জন অফিসারকে বৃহস্পতিবার ‘কোয়ালিফায়েড ফ্লাইং ইনস্ট্রাকটর’-র ব্যাজ দেওয়া হয়েছে।
আর ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে সরকারিভাবে সেই ছবি প্রকাশ করার পরে পাকিস্তানকে ‘জোকার’ বলে কটাক্ষ করেছেন অনেকেই। সেইসঙ্গে একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমকেও নিশানা করেছে। যে সংবাদমাধ্যম অপারেশন সিঁদুরের সময় দাবি করেছিল যে একজন ভারতীয় ফাইটার পাইলটকে আটক করেছে পাকিস্তান। তখনই সেই দাবি করে দিয়েছিল একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। ভারতের তরফে অবশ্য সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গীকে যে মিথ্যাচার ছড়ানো হচ্ছিল, তার জবাব দেওয়ার কোনও প্রয়োজনই ছিল না ভারতের। পাকিস্তানের এসব ফালতু, ভিত্তিহীন দাবির উত্তর দিয়ে ছিঁটেফোটাও সময় নষ্ট করতে চায়নি ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনা তো পাকিস্তানের তো হাস্যকর নয়। ভারতীয় বায়ুসেনা পেশাদার ও দক্ষ বাহিনী।

তবে অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের মিথ্যাচারের অভাব ছিল না। সংঘর্ষবিরতি চুক্তির জন্য ভারতের হাতেপায়ে ধরলেও নিজেদের দেশের লোককে টুপি পরাতে বড়-বড় দাবি করেছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয়, ভারতের হাতে চূড়ান্ত পর্যদুস্ত হয়ে বিজয় মিছিল বের করেছিলেন শাহিদ আফ্রিদির মতো লোকজন। সেজন্য জোকার তকমাও পেতে হয়েছে। যদিও তাতে দু’কানকাটা শেহবাজ শরিফদের ছিঁটেফোটা লজ্জা হয়নি।