ভোটবঙ্গে বোমাবাজির অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শিবনগর এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নওদার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সাহিনা মমতাজ খান অভিযোগ করেন, তাঁকে লক্ষ্য করেই বোমা ছোড়া হয়েছিল। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে হুমায়ুন কবীরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টির দিকে। যদিও এজিইউপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খানও অভিযোগ করেছেন হুমায়ুনের দলের বিরুদ্ধেই। এদিকে নওদার ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, নওদা বিধানসভার শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বোমাবাজি হয় ২২ এপ্রিল রাতের দিকে। এই বিদ্যালয়টি একটি ভোটকেন্দ্র। সেখানে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। তা সত্ত্বেও স্কুলের অদূরে এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে অভিযোগ। এদিকে এই বোমাবাজির ঘটনায় জখম হয়েছেন স্থানীয় এক মহিলা। এদিকে বোমাবাজির সময় এলাকাতেই উপস্থিত ছিলেন নওদা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান। তিনি অবশ্য অক্ষত রয়েছেন। তবে তাঁর অভিযোগ, তাঁকে নিশানা করেই বোমাবাজি করা হয়।
এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে ভোটদান থেকে বিরত রাখতেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে এই নওদাতেই তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল হুমায়ুনের দলের বিরুদ্ধে। আর ভোটের আগে এভাবে বোমাবাজির ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজ্যের শাসকদল। এই আবহে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের।

এদিকে আজ ভোট দিয়ে হুমায়ুন কবীর দাবি করলেন, রাজ্যে পরিবর্তনের বাঁশি বেজে উঠেছে। এদিকে ভোটের সময় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হুমায়ুন বলেন, ‘আমি ১৯৮২ সাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আসছি, কিন্তু এই প্রথম আমার নিজের দল এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে… রাজ্যে যেন কোনও আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা না হয়।’ এদিকে বোমাবাজি প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, ‘আমার লোককে পাথর ছুড়লে পাল্টা রসগোল্লা ছুড়বে নাকি? একটি ঢিল ছুড়লে দুটো পাটকেল খেতে হবে।’