WB Assembly Election। ‘আমি ভোট না দিলেও কীভাবে আমার ভোট হয়ে গেল?’

Spread the love

ছাপ্পা রুখে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে রাজ্যে বিপুল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে পুলিশ এবং প্রশাসনেও হয়েছে রদবদল। তা সত্ত্বেও উঠল ছাপ্পার অভিযোগ। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে গিয়ে অধ্যাপক জানতে পারলেন তাঁর ভোট হয়ে গিয়েছে আগেই। ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাখন সামন্ত অভিযোগ করলেন, ডিসিআরসি সেন্টারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারলেন, তাঁর নামে ভোট আগেই পড়ে গিয়েছে।

এই নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করা অধ্যপক মাখন সামন্ত এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি ভোট না দিলেও কীভাবে আমার ভোট হয়ে গেল? আমি বিষয়টা বুঝতেই পারলাম না। আমি নিজে অন্যের ভোট নিতে যাব, অথচ আমি নিজেই ভোট দিতে পারলাম না।’ এর আগে বালুরঘাটেও পোস্টাল ব্যালটে ছাপ্পার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগকারী বিমল সোরেন বালুরঘাট ব্লকের গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। গত ১৬ এপ্রিল বালুরঘাট গার্লস হাইস্কুলে নির্বাচনের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। প্রশিক্ষণের পরই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে ভোটকেন্দ্রে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। এই আবহে জানানো হয়, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোট দেওয়া যাবে। পরে ২০ এপ্রিল বিমল সোরেন ভোট দিতে গেলে জানতে পারেন, তাঁর ভোট আগেই পড়ে গিয়েছে।

মধ্যমগ্রাম গার্লস হাই স্কুলের নির্বাচনী কর্মীদের ট্রেনিং সেন্টারে পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল কয়েকদিন আগে। অভিযোগ ওঠে, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতরেই পরিচয় পত্র ছাড়া বহু অপরিচিত লোক ছিল। এদিকে একই বাক্সে দুই কেন্দ্রের পোস্টাল ব্যালট ভোট গ্রহণ করার অভিযোগ ওঠে রানাঘাটে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। এদিকে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কমিশনে নালিশ করেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ভয় দেখানো ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *