North East India Trumpland Map। হাসিনার অভিযোগই সত্যি? ভারত ভেঙে খ্রিস্টান রাষ্ট্র তৈরির ছক আমেরিকায় বসে?

Spread the love

আমেরিকায় বসে ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিকে ভেঙে নয়া দেশ গড়ার ডাক দিল খলিস্তানি জঙ্গি গুরপতবন্ত সিং পান্নুন। এতদিন ধরে পঞ্জাবকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাওয়া পান্নুন একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন সম্প্রতি। তাতে দেখা গিয়েছে, অসম এবং মেঘালয়ের একটা বড় অংশ, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড মিলে একটি নতুন দেশ হবে। সেই তথাকথিত দেশের নাম আবার ‘ট্রাম্পল্যান্ড’ রেখেছে পান্নুন। এছাড়া অরুণাচলপ্রদেশকে চিনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে সেই মানচিত্রে। এর আগে হাসনাতের মতো বাংলাদেশি কট্টরপন্থী নেতারা ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক দিয়েছিল। ওসমান হাদির মৃত্যুর পর এই পান্নুনও বাংলাদেশিদের আহ্বান জানিয়েছিল ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র করার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মানবিক করিডোর তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল মহম্মদ ইউনুসের সরকারের। তবে এই করিডোরের মাধ্যমে উত্তরপূর্ব ভারতে অশান্তি ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। উল্লেখ্য, এর আগে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় দাবি করেছিলেন, আমেরিকা সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপে ঘাঁটি গড়তে চায়। এরই সঙ্গে ভারতের উত্তরপূর্বের খ্রিস্টান অধ্যুষিত রাজ্যগুলির সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ মিলিয়ে একটি খ্রিস্টান দেশ গড়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মহম্মদ ইউনুসের মানবিক করিডোর কি সেই ছকেরই অংশ ছিল কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এরই মাঝে আবার কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল, কক্সবাজারে নাকি মার্কিন সেনা ছিল। এছাড়াও প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে নাকি কক্সবাজারে এনসিপি নেতারা বৈঠক করেছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল।

এই সবের মাঝেই সম্প্রতি এক মিনি ট্রাকে করে সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার করা হয়েছিল তিন যুবককে। তারা বস্তায় করে ম্যাগাজিন রাখার পকেট নিয়ে যাচ্ছিল। এর আগে মার্চ মাসে কক্সবাজারে আরাকান আর্মির ৬০ জোড়া পোশাক ধরা পড়েছিল বাংলাদেশে। সেই সময় মনে করা হচ্ছিল, অন্তরঘাতমূলক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার জন্যেই এই পোশাক তৈরি করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছিল। এদিকে সম্প্রতি জানা যায়, রাখাইন ও বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পার্বত্য জঙ্গলের গভীরে চলছে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের সামরিক প্রশিক্ষণ। রিপোর্ট অনুযায়ী, মায়ানমার এবং চট্টগ্রামের সীমান্তে মায়ু পর্বতের জঙ্গলে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এই রোহিঙ্গা জঙ্গিরা নাকি মৎস্যজীবী ছদ্মবেশে নাফ নদীর পাশে থাকছে। মংডু শহরেও নাকি লুকিয়ে আছে তারা। আরাকান আর্মি অভিযান চালালে তারা বাংলাদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের তৎপরতা ভারতের জন্যেও মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *