Pakistan-China-Turkey Defence Relation। ৬০ ঘণ্টায় পাকিস্তানে পরপর নামল চিন-তুরস্কের সামরিক বিমান

Spread the love

Pakistan-China-Turkey Defence Relation: পাকিস্তানের হাতে কি প্রতিরক্ষা সামগ্রী তুলে দিল চিন এবং তুরস্ক? একটি মহলের তরফে এমনই শঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে সাম্প্রতিক রিপোর্টের পরে। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রায় ৬০ ঘণ্টার মধ্যে চিন এবং তুরস্ক থেকে ভারী পণ্যবহনকারী সামরিক বিমান নাকি একাধিকবার পাকিস্তানের ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। ওই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানে ওই দু’দেশের সামরিক বিমানের যাতায়াত বেড়ে গিয়েছিল। এমনিতে পাকিস্তানকে সামরিক জিনিসপত্র প্রদান করে আসে চিন। আর সৌদি আরবকে নিয়ে দিনকয়েক আগেই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইসলামাবাদ। সেই পরিস্থিতিতে নয়া রিপোর্টে ভ্রূ কুঁচকেছে সংশ্লিষ্ট মহল।

 

‘চিন ও তুরস্কের বিমান নামতে দেখা গিয়েছে পাকিস্তানে’

সেই আবহে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির কছে নুর খান বায়ুঘাঁটিতে চিনা সামরিক বিমানকে নামতে দেখা গিয়েছে। আবার করাচির বায়ুঘাঁটিতেও নামতে দেখা গিয়েছে চিনা বিমানকে। একইভাবে তুরস্কের পণ্যবাহী সামরিক বিমানকেও নামতে দেখা গিয়েছে বলে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম আনা হয়েছে?

তবে ওই বিমানে ঠিক কী কী ছিল, তা নিশ্চিত নয়। ওই সূত্র উদ্ধৃত করে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওইসব সামরিক বিমানে ড্রোন ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সরঞ্জাম থাকতে পারে। পুরো বিষয়টি নিয়ে চিন, পাকিস্তান বা তুরস্কের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ওই রিপোর্ট নিয়ে আপাতত কোনও মন্তব্য করেনি ভারতও।

ভিডিয়ো দেখেই ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের?

এমনিতে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে একটি ডকুমেন্ট্রারি (ডিসকভারি চ্যানেলের তথ্যচিত্রের নাম ‘Declassified: Operation Sindoor’) দেখে চাপে পড়ে গিয়েছে পাকিস্তান। গত বছর ভারত যে অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল, সেইসময় কী কী হয়েছিল, কীভাবে ইসলামাবাদ সংঘর্ষবিরতির জন্য হাতেপায়ে ধরেছিল, তা দেখানো হয় ওই ডকুমেন্ট্রারি। সেই তথ্যচিত্র দেখার পরই ঘুম উড়ে যায় পাকিস্তানের।

তড়িঘড়ি বিবৃতি জারি করে নিজেদের মুখ বাঁচানোর চেষ্টা করে ইসলামাবাদ। গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সেই তথ্যচিত্রকে ‘ট্র্যাজেডি এবং কমেডি’ বলে কটাক্ষ করেন। তিনি দাবি করেন, তথ্যচিত্রে ঘটনার নিরপেক্ষ বা পূর্ণাঙ্গ ছবি তুলে ধরা হয়নি। বাছাই করা সাক্ষাৎকার, আবেগঘন বর্ণনা এবং বলিউডের ধাঁচের দৃশ্যপট ব্যবহার করে পুরনো ঘটনাকে নতুন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *