Reservation Hatao Andolan। CJPর সাফল্যে উৎসাহিত উচ্চবর্ণ! দিল্লিতে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’-এর প্রস্তুতি

Spread the love

Reservation Hatao Andolan: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের পর এবার সংরক্ষণ। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) দেখানো রাস্তায় ফের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জেন জি? দেশের রাজধানীতে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ (RHA)-কে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের জন্য দিল্লি পুলিশ শর্তসাপেক্ষে ছাড়পত্র (NOC) দিতেই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (DCP)-এর কার্যালয় থেকে জারি করা এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার রামলীলা ময়দানে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০০ জনকে একত্রিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিক থেকে’ এই প্রতিবাদে তাদের কোনও আপত্তি নেই।ইনস্টাগ্রাম-ভিত্তিক পেজ ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’-এর নেতৃত্বে চলা এক ব্যাপক ডিজিটাল প্রচারের পরই এই অনুমতি দেওয়া হলো। ইনস্টাগ্রামে ৫৬ লক্ষ (৫.৬ মিলিয়ন) ফলোয়ার থাকা এই পেজটি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র অনুকরণে প্রতিবাদ শুরু করে করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এর আগে ২১ আগস্ট যন্তর মন্তরে সংরক্ষণ-বিরোধী প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল তারা। যদিও যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের অনুমতি মেলার খবর সম্পূর্ণ খারিজ করেছিল দিল্লি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার পুলিশের অফিশিয়াল এক্স (X) হ্যান্ডেলে জানানো হয়, ‘যন্তর মন্তরে কোনও ধরনের প্রতিবাদ, মিছিল, বিক্ষোভ বা জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি।’ তবে সর্বশেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের স্ট্যান্ডিং অর্ডারের নিয়ম মেনে রামলীলা ময়দানে এই সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

দিল্লি পুলিশের কড়া নির্দেশিকা

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রামলীলা ময়দানে কোনও ধরনের মিছিল বা ধর্নায় বসা যাবে না। আয়োজকদের সময় অনুযায়ী জারি করা সমস্ত পুলিশি নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শর্তভঙ্গ হলে যে কোনও মুহূর্তে এই এনওসি বাতিল করা হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

কী দাবি এই আন্দোলনের?

‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, জাতিগত বৈষম্য দূর করাই যদি মূল লক্ষ্য হয়, তবে দৈনন্দিন জীবনে জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি বন্ধ করা উচিত সরকারের। জাতভিত্তিক সংরক্ষণের বিরোধিতা করে তাদের দাবি, সংরক্ষণ ব্যবস্থা মেধাকে খুন্ন করে, জাতিভেদ বাড়ায় এবং প্রতিযোগিতা কমিয়ে শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করে। জাতপাতের বদলে মেধার ভিত্তিতে সমান সুযোগের আবেদন জানিয়েছে সংগঠনটি।

উল্লেখ্য, অভিজিৎ দীপকের ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি সাড়া ফেলে দিয়েছে গোটা দেশ। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি ও নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে তাদের বিক্ষোভে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদে নামে হাজার হাজার পড়ুয়া। চাপের মুখে পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। জানা যাচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ককরোচদের উত্থানের পরপরই ইনস্টাগ্রামে আত্মপ্রকাশ করেছিল ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন।’ সাম্প্রতিক সময়ে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে প্রোফাইলটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *