কলকাতার উপকণ্ঠে পানিহাটিতে বিজেপির ওপর হামলা তৃণমূলের। রিপোর্ট অনুযায়ী, পানিহাটির ২ নম্বর ওয়ার্ডে বোমাবাজি চালানো হয়। ঘটনায় আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। এই আবহে গেরুয়া শিবিরের অভিযোগের আঙুল ঘাসফুল আশ্রিত দুষ্কৃতীরেদর দিকে। এই ঘটনায় অন্তত ৫ জন বিজেপি কর্মী জখম হন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে থমথমে হয়ে আছে পরিস্থিতি। পুলিশি নজরদারি বেড়েছে। চলছে তদন্ত। দুষ্কৃতীদের খোঁজে শুর হয়েছে তল্লাশি।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটির দু’নম্বর ওয়ার্ডের দত্ত রোডে। সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের কাছে ঘটনাটি ঘটে। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছিলেন বিজেপি কর্মীরা। সেই সময় বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়ে যায়। তিনটি বোমা ছোড়া হয়। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। উল্লেখ্য, এই পানিহাটিতে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের পুত্রকে ভোটে হারিয়েছেন আরজি কর নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। এই আবহে বোমাবাজির ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই আবহে পানিহাটিতে বোমাবাজির ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছে বিজেপি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
এই বোমাবাজির খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খড়দহ থানার পুলিশ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও পৌঁছে যান সেখানে। তদন্তে নেমে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ৬ মে একই রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির ওপর হামলা হয়েছে। ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। আবার বসিরহাটে এক বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে। এই আবহে শুভেন্দু বলেছেন, ‘১৫ বছর ধরে রাজ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলেছে। ১৫ বছরের মহা জঙ্গলরাজের ফল এটা। বুধবারই খড়দহে বোমা,বসিরহাটের গুলিতে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।’
