Rafale in Op Sindoor। ভারতের রাফাল নিয়ে পাকিস্তানের মিথ্যার বেলুনের হাওয়া বেরিয়ে গেল

Spread the love

পহেলগাঁও হানার পাল্টা সংহারে গত বছর মে মাসে পাকিস্তানের একের পর এক জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সংহারের রাতে পাকিস্তানের আকাশসীমায় দাপট দেখায় ভারতের একের পর রাফালে। এরপর পাকিস্তান দাবি করে তারা একের পর এক ভারতের রাফাল নাকি ধ্বংস করেছে! ইসলামাবাদের এই মিথ্যাচারের পর্দাফাঁস হল এবার ভারতীয় বায়ুসেনার এক নথির জেরে।

গত মে মাসে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক রাফাল তারা ধ্বংস করেছে বলে, দাবিতে মত্ত ছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের সেই দাবির রেশ ছড়ায় ক্রিকেট মাঠেও! ক্রিকেটে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের ক্রিকেটার হারিস রউফকে দেখা যায়, মাঠের মধ্যে রাফাল নিয়ে অঙ্গভঙ্গি করতে, যা নিয়ে বিতর্কও হয়। এবার পাকিস্তানের নাছোড় সেই মিথ্যা দাবির পর্দাফাঁস হল। ভারতের বায়ুসেনায় রয়েছে ৩৬ রাফাল। এই ৩৬ টি রাফালই ফ্রান্স থেকে এসেছিল অপারেশন সিঁদুরের বহু আগে। সদ্য বায়ুসেনা, এই ৩৬ রাফাল বিমানবহরের ব্রিজ সাপোর্টের বিষয়ে উদ্যোগী। ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট বলছে, ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমানের জন্য পাঁচ মাস মেয়াদী একটি ‘ব্রিজ সাপোর্ট প্যাকেজ’ বা অন্তর্বর্তীকালীন সহায়তা প্যাকেজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এমনই বার্তা রয়েছে বায়ুসেনার ‘এয়ার হেডকোয়ার্টার্স রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল’-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ফ্রান্সের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সরকারি-পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ভারত ঠিক সমসংখ্যক বিমানই সংগ্রহ করেছিল, যা এসেছিল ফ্রান্স থেকে।

 

এই নথির মাধ্যমে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের পরেও বিমানবহরটি সচল রাখার লক্ষ্যে রক্ষণাবেক্ষণ, লজিস্টিকস এবং কারিগরি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এতে পাঁচ মাসব্যাপী সহায়তা-মেয়াদে আনুমানিক ২,২৫০ ঘণ্টা উড়ানের পরিকল্পনার কথা রয়েছে।

ফলত, পাকিস্তান যে দাবি করে আসছিল, যে তারা ভারতের একাধিক রাফালে ধ্বংস করে দিয়েছে, তা যে কতবড় মিথ্যাচার, তা ফের একবার বায়ুসেনার নথি প্রমাণ করে দিল। অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানের ওই দাবি ঘিরে, সেই সময় বায়ুসেনা প্রধান এপি সিং বলেছিলেন,’ তাদের (পাকিস্তান) আখ্যান হল মনোহর কাহিনী। তারা খুশি থাকুক, কারণ নিজেদের সম্মান বাঁচাতে তো তাদেরও দর্শকদের কিছু একটা দেখাতে হবে।’ এরপর সদ্য সামনে এল ভারতের ৩৬ রাফাল যুক্ত বিমানবহর ঘিরে নথির তথ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *