কলকাতা মেট্রোর বিভিন্ন রুটে প্রায় ২০ কিলোমিটার পথের কাজ আটকে আছে জমিজট কিংবা ইউটিলিটি ডাইভারশনের মতো সমস্যার জেরে। এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদে মেট্রো নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। এর জবাবে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, মোট চারটি মেট্রো করিডরে মোট ৫২ কিমি পথে কাজ চলছে। তবে তার মধ্যে চিংড়িহাটার ৩৬৬ মিটার সহ ২০ কিমি পথের কাজ কার্যত থমকে। এই আবহে আটকে থাকা মেট্রোর কাজ নিয়ে জট কাটাতে রাজ্য সরকারকেই পদক্ষেপ করতে হবে বলে দাবি করেন অশ্বিনী।
লিখিত জবাবে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, চিংড়িহাটার ৩৬৬ মিটার মেট্রো পথ জুড়ে দিতে রাজ্য সরকারকে বারবার অনুরোধ করা হলেও অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে দাবি করছে রাজ্য। তবে রেলের বক্তব্য, কলকাতা পুলিশ যে বিকল্প রাস্তা চেয়েছিল, তা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। এরপর বৈঠকের পর বৈঠক হলেও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পাচ্ছে না মেট্রো। রেলমন্ত্রীর দাবি, এনওসি পেলে তিন রাত্রি ৮ ঘণ্টা করে কাজ করেই এই অংশ সম্পন্ন করতে পারে মেট্রো।
এদিকে জোকা থেকে ধর্মতলা রুটে পার্পেল লাইনে ১৪ কিমি মেট্রো পথের কাজ জমি জটের জেরে থমকে আছে বলে জানিয়েছে রেল। এর জেরে খিদিরপুরে এখনও মেট্রো স্টেশন তৈরি করা যায়নি। এদিকে ধর্মতলার যে সব দোকান সরানোর কথা সেগুলির জন্য বিকল্প স্থান তৈরি হয়ে গেলেও রাজ্য সরকার এনওসি দিচ্ছে না বলে অভিযোগ অশ্বিনীর। এদিকে নোয়াপাড়া থেকে বারাসত ইয়েলো লাইনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে কয়েক হাজার দোকান ও ঝুপড়ি। আর রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণও করছে না বলে জানানো হয়েছে লিখিত জবাবে।
