Ram Mandir Donation Row। কোটি টাকার অনুদান কেলেঙ্কারিতে তোলপাড় অযোধ্যা

Spread the love

Ram Mandir Donation Row: অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি টাকার অনুদান আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগে এই মুহূর্তে তোলপাড় দেশ। এই কেলেঙ্কারির জেরে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের অন্দরেও তীব্র প্রশাসনিক সংকট তৈরি হয়েছে। এই চরম ডামাডোলের আবহে, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা চম্পত রাই অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন।

এক্স হ্যান্ডেলে একটি হাতে লেখা চিঠি পোস্ট করে চম্পত রাই দাবি করেছেন, ‘ট্রাস্টের ইচ্ছানুযায়ী’ তিনি এতদিন রাম মন্দির অনুদান বিতর্ক নিয়ে নীরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। হিন্দিতে লেখা ওই চিঠিতে চম্পত রাই বলেন, ‘গত ৬ জুন, ২০২৬ থেকে শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দির চত্বরের দানবাক্স থেকে অনুদান গণনার সময় ঘটে যাওয়া চুরির ঘটনা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা চলছে এবং ব্যক্তিগতভাবে আমাকেও বিভিন্ন অন্যায্য অভিযোগের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আমি এই বিষয়ে নীরব থাকাটাই বেছে নিয়েছিলাম কারণ, ট্রাস্টের ইচ্ছানুযায়ী একটি সিট যাচাইকরণের জন্য তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। সেই রিপোর্ট এখন জনসমক্ষে এসেছে।’ চম্পত রাই সকলকে সিটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তদন্ত শেষ হওয়ার পরই উপযুক্ত জবাব’ দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ‘যদিও রিপোর্টটি প্রাথমিকভাবে গোপনীয় ছিল, তবুও সকলেরই সিটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা উচিত। তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর, যে সমস্ত ভুল তথ্য এবং ভ্রান্ত ধারণা ছড়ানো হচ্ছে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। যথাসময়ে সত্য সামনে আসবেই।’ চম্পত রাই বলেন, ‘আমি ১৯৯১ সালের অক্টোবর থেকে এই সংস্থার মাধ্যমে অযোধ্যায় সেবা করে আসছি। আমি যেখানেই কাজ করেছি না কেন, আমার প্রায় ৪৫ বছরের জনজীবন সর্বদা একটি খোলা বইয়ের মতোই স্বচ্ছ ছিল। আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে সত্যের সামনে মাথা নত করি।’

পরিবর্তনের হাওয়া

এদিকে, রাম মন্দিরের অনুদান তছরুপের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের ইস্তফা গৃহীত হয়েছে। সোমবার ট্রাস্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়। একই বৈঠকে ট্রাস্টি অনিল মিশ্রের পদত্যাগও অনুমোদিত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। একই সঙ্গে প্রশাসক গোপাল রাওকে অপসারিত করা হয়েছে এবং একজন সিইও নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি প্যানেল গঠনের ঘোষণা করা হয়েছে। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে হিন্দিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সিটের প্রাথমিক রিপোর্টে আটজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে ট্রাস্ট মামলা দায়ের করার পর তাদের গ্রেফতার করা হয়। এই রিপোর্টের পর, সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র নৈতিকতার খাতিরে পদত্যাগ করেছেন, যা ট্রাস্ট গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া, ট্রাস্ট বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্যদের তালিকা থেকে গোপাল নাগরাকাট্টেকে অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *