Ritabrata on Abhishek egg attack: তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থাপ্রকাশ করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিযেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে সরাসরি নিশানা করলেন। অভিষেককে কটাক্ষ করে ঋতব্রত বলেন, ‘কাল থেকে আমায় বেইমান শুনতে হচ্ছে। গদ্দার শুনতে হচ্ছে। কিন্তু কোথাও আমায় চোর, চোর, চোর, চোর শুনতে হচ্ছে না।’ সেইসঙ্গে গত শনিবার সোনারপুরে গিয়ে অভিষেক যে কিল-ঘুষি খান, তা নিয়ে কটাক্ষ করে তৃণমূল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা বলেন যে অভিষেক ‘গণপিটুনি’ খেয়েছিলেন নাকি ‘চোরপিটুনি’? অভিষেক নাকি এত ‘জননেতা’ যে একদিকে তিনি বলছিলেন যে জনগণ নিরাপত্তা দেবেন। অথচ নিজেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করছেন বলে অভিষেককে কটাক্ষ করেন ঋতব্রত।
বহিষ্কার করলেও মমতা আমার নেত্রী, দাবি ঋতব্রতের
যদিও মমতাকে নিজের ‘নেত্রী’ বলে দাবি করেছেন উলুবেড়িয়ার পূর্বের বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বড়মাপের নেত্রী। তাঁকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হলেও মমতাকেই তাঁর নেত্রী বলে মনে করেন বলে দাবি করেন ঋতব্রত। যিনি আজ দুপুরেই বিধানসভায় পৌঁছে গিয়েছেন। তাঁর ঠিক পরেই বিধানসভায় ঢুকে পড়েন পূর্ণমন্ত্রী তথা মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়।
এটা অনিবার্য ছিল, দাবি তাপস রায়ের
তিনি দাবি করেন, তৃণমূল দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। মমতাকে মানছে না একটি অংশ। আর অভিষেককে তো পাত্তা দেওয়ার ব্যাপারও নেই। অথচ ভোটের ফলাফল এখনও এক মাস হয়নি। এটা অনিবার্য ছিল। এটা হওয়ারই ছিল। এটা হবেই। তৃণমূলে অরাজনৈতিক লোকজন ভরতি ছিলেন। আনা হয়েছিল বাইরের লোককে। এগুলো তৃণমূল কর্মীরা এতদিন দমবন্ধ করে সহ্য করে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তাপস।

মমতা-অভিষেকের তৃণমূল শেষ?
আর সেইসব মন্তব্য এমন একটা সময় করা হচ্ছে, যখন একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে যে ৫০ জনের বেশি তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের (তিনি আজ নেই, তবে বিধানসভার সচিবকে সেটা জমা দেওয়া যায়) কাছে চিঠি জমা দিচ্ছেন ঋতব্রতরা। অর্থাৎ নয়া তৃণমূল গঠনের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, ঋতব্রতরা যদি সত্যিই ৫০ জন বিধায়কের সমর্থন দেখাতে পারেন, তাহলে মমতা-অভিষেকের তৃণমূলের ভয়াবহ পরিণতি হতে চলেছে।