‘চিকেনস নেক’ শিলিগুড়ি করিডরকে ‘এলিফ্যান্ট’-এ পরিণত করার সময় এসে গিয়েছে। এমনই মন্তব্য করলেন সাধগুরু। তিনি দাবি করেন, ৭৮ বছর আগে দেশভাগের সময় চিকেনস নেকের বিষয়টা তৈরি হয়েছিল। সেটা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের সময় শুধরে নেওয়া উচিত ছিল। তখন না হলেও লালনপালন করে এখন ‘চিকেনস নেক’ শিলিগুড়ি করিডরকে ‘এলিফ্যান্ট’-এ (হাতিতে) পরিণত করার সময় এসে গিয়েছে বলে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করেন সাধগুরু। যিনি সরাসরি না বললেও আসল বক্তব্যটা পুরোপুরি স্পষ্ট করে দেন।
বাংলাদেশের গুটিকয়েক ‘বিপ্লবী’-দের বড়-বড় ‘ডায়লগ’
আর সাধগুরু সেই মন্তব্য করেছেন এমন একটা সময়, যখন বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। বাংলাদেশের গুটিকয়েক ‘বিপ্লবী’ মাঝেমধ্যেই চিকেনস নেক নিয়ে বড়-বড় ‘ডায়লগ’ দেয়।
বাংলাদেশে অশান্তি চলছে হাদির মৃত্যুর
এমনিতে এখন বাংলাদেশে চরম অশান্তি চলছে। কট্টর ভারত-বিরোধী হাদির মৃত্যুর পরে নতুন করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশে। আগুনে পুড়িয়ে খুন করা হয় হিন্দু যুবককে। তাণ্ডব চালানো হয় বিভিন্ন প্রান্তে। বাংলাদেশের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়ের মতো বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

হিন্দুদের উপর অত্যাচার চলছে বাংলাদেশে
গত সপ্তাহের বুধবার রাতেও এক হিন্দু যুবককে হত্যা করা হয়েছে। যদিও মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘পুলিশের তথ্য ও প্রাথমিক তদন্ত থেকে মনে করা হচ্ছে যে ঘটনাটি মোটেই সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। এটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে উদ্ভূত হিংসাত্মক পরিস্থিতির থেকে সৃষ্ট ঘটনা।’
সেইসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ‘নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী (অপরাধী) অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা দাবির উদ্দেশ্যে (তোলা আদায় করতে) এলাকায় উপস্থিত হন এবং বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রাণ হারান। তিনি ইতিপূর্বে ২০২৩ সালে রুজুকৃত হত্যা এবং চাঁদাবাজির (তোলাবাজি) মামলা-সহ একাধিক গুরুতর মামলার আসামি ছিলেন। এসব মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও আছে।’