টলিউডের প্রথম সারির বাণিজ্যিক ছবির ‘গ্ল্যামার কুইন’ থেকে ওটিটি বা ভিন্নধারার ছবির পাওয়ারহাউস পারফর্মার— শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের কেরিয়ারের গ্রাফ গত কয়েক বছরে ঈর্ষণীয়ভাবে বদলেছে। ‘পরিণীতা’ থেকে ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’, কিংবা সাম্প্রতিক ‘বাবলি’— প্রতিটি চরিত্রেই তিনি নিজেকে ভেঙেছেন। অথচ, এত সাফল্য, এত হাততালি পাওয়ার পরেও টলিউডের এই প্রথম সারির অভিনেত্রীর মনে হয়, তিনি নাকি কেরিয়ারে এখনও কিছুই করে উঠতে পারেননি!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের কেরিয়ার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক অদ্ভুত বিনম্রতা ও মাতৃত্বের আবেগ প্রকাশ করলেন শুভশ্রী। কর্মজীবনের সাফল্যকে একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ‘অ্যাচিভমেন্ট’ বা প্রাপ্তি হিসেবে এক অনন্য মুহূর্তকে বেছে নিলেন তিনি।
কেরিয়ার নিয়ে এখনও অতৃপ্ত রাজ-ঘরনী
টলিপাড়ায় একের পর এক ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দেওয়ার পরেও শুভশ্রীর ভেতরে একজন অতৃপ্ত শিল্পী বাস করেন। নিজের কাজ এবং ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শুভশ্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, ‘কেরিয়ারে এখনও পর্যন্ত কিছুই করিনি বলে মনে হয়। আমার অনেক পথচলা বাকি, অনেক কিছু অ্যাচিভ করা বাকি আছে।’
তাঁর এই মন্তব্য বুঝিয়ে দেয়, একজন সুঅভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার এবং আরও ভালো চরিত্রে অভিনয় করার খিদে তাঁর মধ্যে কতটা তীব্র। অতীত সাফল্য নিয়ে মেতে না থেকে তিনি সবসময় সামনের দিকে তাকাতে ভালোবাসেন।

‘যেদিন প্রথম মা হয়েছি, সেটাই জীবনের সেরা প্রাপ্তি’
গ্ল্যামার দুনিয়ার লাইমলাইট, বক্স অফিসের কোটি টাকার ব্যবসা বা নামী পুরস্কার— কোনো কিছুই যে তাঁর মাতৃত্বের আনন্দের চেয়ে বড় হতে পারে না, তা অকপটে স্বীকার করেছেন শুভশ্রী। পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সাথে বিয়ের পর ২০২০ সালে তাঁদের জীবনে আসে প্রথম সন্তান ইউভান। করোনাকালে, কেরিয়ারের শীর্ষে থাকতেই মা হন শুভশ্রী।