মণিপুরে বড় ধরনের অভিযানে অন্তত চারজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই ধৃত জঙ্গিদের মধ্যে অন্যতম হল পাওখোলেন গুইট। এই পাওখোলেন চিন কুকি মিজো আর্মির (সিকেএমএ) কমান্ডার-ইন-চিফ বলে দাবি করা হচ্ছে। চুড়াচাঁদপুর জেলার এস মুনুম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রে জানা গেছে, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান ও চাঁদাবাজির সঙ্গেও গুইট জড়িত ছিল। তার কাছ থেকে দুটি একে-৪৭ রাইফেল, ১৮১ রাউন্ড গুলি এবং অন্যান্য গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া গুইটের কাছে নগদ ১ লক্ষ টাকা এবং গাড়িও পাওয়া গেছে।
পাওখোলেন গুইট ছাড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত লিবারেশন আর্মির আরও দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তারা এলাকার লোকজনের কাছ থেকে টাকা আদায় করত বলে অভিযোগ। এ ছাড়া ইটভাটার মালিকদেরও ব্ল্যাকমেইল করে তোলাবাজি করত তারা। থৌবাল জেলার ইউরিপোক থেকে লিবারেশন আর্মির আরেক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ধৃত জঙ্গি খনিতে কাজ করা লোকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করত বলে অভিযোগ।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) জঙ্গিদের সঙ্গে অসম রাইফেলস জওয়ানদের সংঘর্ষ হয়েছিল। এতে শহিদ হয়েছিলেন একাধিক জওয়ান। এদিকে গত বুধবার চুড়াচাঁদপুরে পুলিশের গাড়িবহরে হামলা চালায় জনতা। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুকি সম্প্রদায়ের মহিলারা গাড়িবহরের সামনে দাঁড়িয়ে যানবাহনগুলিকে এগিয়ে যেতে বাধা দেন। অনেক কুকি সংগঠন সন্দেহ করে যে পুলিশ মেইতেই সম্প্রদায়কে সমর্থন করে। বুধবার, চুড়াচাঁদপুর জেলার মাভোম এবং নেপালি বস্তির কাছে একটি ম্যাগাজিন সহ একটি এম-১৬ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, দুটি একক ব্যারেল রাইফেল, ম্যাগাজিন সহ দুটি নয়-মিমি পিস্তল, স্থানীয়ভাবে পম্পেই নামে পরিচিত একটি দেশীয় তৈরি মর্টার, দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড, তিনটি ১২ বোর খালি রাউন্ড এবং দুটি ওয়্যারলেস সেট উদ্ধার করা হয়েছিল।
