TMC Leader on Rachana Banerjee। ‘উনি তো ফিডিং বোতলে দুধ খান…..’! ‘কচি বাচ্চা’ রচনাকে চরম কটাক্ষ পুরনো ‘শত্রুর’

Spread the love

TMC Leader on Rachana Banerjee: দম থাকলে সাংসদ পদ ছেড়ে দিক রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। লড়াই করুক অন্য দলের প্রতীকে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অসিত মজুমদার। সেইসঙ্গে হুগলির সাংসদ রচনা যে দাবি করেছেন, তিনি আগে তৃণমূলের স্বরূপ বুঝতে পারেননি, তা নিয়েও খোঁচা দিয়েছেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলার সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘উনি (রচনা) তো ফিডিং বোতলে দুধ খান। উনি কী করে জানবেন? কচি বাচ্চা। কিছুই বোঝেন না। সদ্যোজাত শিশু। তাই উনি বুঝতে পারেননি। এখন উনি একটু বড় হয়ে গিয়েছেন দিল্লির জল খেয়ে। তাই বুঝতে পারছেন।’

‘তৃণমূলের দুর্নীতির বিষয়ে জানলে দলেই যোগ দিতেন না’

আর চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সেই মন্তব্য করেছেন রচনার কথার প্রেক্ষিতে। টিভি নাইন বাংলার সাক্ষাৎকারে রচনা দাবি করেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা যদি আগে থেকে জানতেন, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলেই আসতেন না বলে দাবি করেছেন হুগলির সাংসদ।

রচনা ও অসিতের মধ্যে বরাবরই টানাপোড়েন চলেছে

যে রচনা ২০২৪ সালে তৃণমূলের টিকিটে হুগলি লোকসভা আসনে জিতেছিলেন। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখান। তারপর ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআইয়ে যোগ দিয়েছেন। সেই ঘটনার পরে সরাসরি মমতা এবং তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছেন রচনা। তাঁকে পালটা দিলেন রচনার পুরনো ‘শত্রু’। যাঁর সঙ্গে বরাবরই টানাপোড়েন চলেছে হুগলির সাংসদের।

রচনা না থাকলে হুগলিতে তৃণমূল জিতত না, দাবি অভিনেত্রীর

এবার সেই টানাপোড়েন অন্য মাত্রায় চলে গিয়েছে রচনার বিস্ফোরক মন্তব্যের পরে। ওই সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে রচনা দাবি করেছেন, তিনি না থাকলে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলিতে জিততেই পারত না তৃণমূল। মমতা অবশ্যই তৃণমূলের ‘মুখ’। কিন্তু রচনা না থাকলে মমতার সেই ‘মুখ’-র কোনও দাম থাকত না বলে দাবি করেছেন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ।

সেখানেই থামেননি রচনা। তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে ব্যবহার করেছেন মমতা। হুগলিতে বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারানোর জন্য মমতার একজন সেলিব্রিটির প্রয়োজন ছিল। গড়িয়াহাট বা ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে কাউকে তো প্রার্থী করেননি মমতা। তাঁর জন্যই হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে মমতার দল জিতেছিল বলে দাবি করেন রচনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *