TMC MLAs Dharna। বিধানসভায় ধরনায় তৃণমূলের বিধায়করা! দেখা মিলল না প্রায় ৫০ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির

Spread the love

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর দীর্ঘদিন রাস্তায় আন্দোলনে দেখা যায়নি তৃণমূল নেতৃত্বকে। কালীঘাটে একাধিক বৈঠক হলেও মাঠে নেমে আন্দোলনের অভাব নিয়ে দলের অন্দরেই ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল বলে সূত্রের দাবি। মঙ্গলবার কালীঘাটে অনুষ্ঠিত বৈঠকে একাধিক বিধায়ক নেতৃত্বের কাছে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, অনেক বিধায়কেরই মত, শুধুমাত্র ঘরোয়া বৈঠক করে দলকে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। এরপরই বুধবার পথে নামতে দেখা গেল তৃণমূল বিধায়কদের।

বুধবার সকালে ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিধানসভা চত্বরে ধরনায় বসেন তৃণমূল বিধায়করা। আন্দোলনে অংশ নেন কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা। তবে এই কর্মসূচিতে দলের বহু বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, প্রায় ৫০ জন বিধায়ক এই ধরনায় যোগ দেননি। ফলে তৃণমূলের অন্দরে ফাটল আরও চওড়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

রিপোর্টের দাবি, কালীঘাটের বৈঠকে কয়েকজন বিধায়ক স্পষ্টভাবে বলেন, সিপিএম ইতিমধ্যেই উচ্ছেদ ইস্যুতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছে, অথচ তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে না। দলের ভিতরে আলোচনা সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন কেউ কেউ। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলনে নামার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে বৈঠকে। এই আবহে বৈঠকে নাকি সিদ্ধান্ত হয়, ২১ মে থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করবে তৃণমূল। তবে তার আগে, আজই বিধায়করা বিধানসভায় ধরনায় বসলেন। তবে তাতেও কাটল তাল।

এদিকে বিধানসভায় ধরনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের ভিতরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়কের অনুপস্থিতিকে সেই অস্বস্তিরই প্রতিফলন বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। যদিও তৃণমূলের দাবি, মানুষের স্বার্থে আন্দোলন চালিয়ে যেতেই তারা রাস্তায় নেমেছে এবং হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *