বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন তুঙ্গে। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আর মাত্র হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা বাকি। ঠিক তার আগেই শুক্রবার বিকেলে কালীঘাটে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে আপাতত কিছু জানানো হয়নি তৃণমূলের তরফে। মুখে কুলুপ এঁটেছে কালীঘাট এবং ক্যামাক স্ট্রিট। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আগামী সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার আগে শনিবার সব বিধানসভা আসনের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যে বৈঠক করবেন মমতা ও অভিষেক, তা নিয়েই সম্ভবত কোনও আলোচনা হয়েছে। যে বিষয়ে শনিবারের বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
২০০ ছুঁয়ে ফেলবে তৃণমূল, নিশ্চিত ক্যামাক স্ট্রিট
এমনিতে এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের মুখে পড়েছে তৃণমূল। তারপরও অবশ্য জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী রাজ্যের শাসক দল। আইপ্যাক ও ক্যামাক স্ট্রিটের সঙ্গে কাজ করা একজন জানিয়েছেন, তৃণমূলের ঝুলিতে ১৮০টি থেকে ২০০টি আসন আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অর্থাৎ গতবারের থেকে আসন কমলেও বিজেপিকে ঠেকিয়ে চতুর্থবারের জন্য মমতা যে মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই বলে দাবি করেছেন ওই সূত্র।
১৫ বুথে শুরু পুনর্নির্বাচন, লম্বা লাইন বুথের সামনে
তারইমধ্যে আজ রাজ্যে ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন শুরু হয়েছে। তার মধ্যে ১১টি বুথ পড়ছে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে। বাকি চারটি বুথ ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ছে। শনিবার সকাল সাতটা থেকে ওই ১৫টি বুথে ভোটদান শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে লম্বা লাইন চোখে পড়েছে।

পুরো ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়া উচিত, দাবি শুভেন্দুর
আর সেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, ‘মগরাহাট পশ্চিমে যা হয়েছে, সেটাকে স্বাগত জানাচ্ছি। ডায়মন্ড হারবারের আরও বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়া উচিত ছিল। আর পুরো ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়া উচিত ছিল।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটাকে স্বাগত জানাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।