মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের মতো দু’দিন ছুটি দেওয়া হবে না বকরি ইদে। বিজেপি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বকরি ইদের জন্য এবার একদিনই ছুটি থাকবে। রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, গত বছরের ২৭ নভেম্বর যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল যে বকরি ইদের জন্য ২৭ মে ছুটি থাকবে। আর বকরি ইদের আগেরদিনও ছুটি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বকরি ইদ পালন করা হবে ২৮ মে। সেইমতো শুধুমাত্র ২৮ মে ছুটি থাকবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
কবে ছুটি? কবে খোলা অফিস?
অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৬ মে (মঙ্গলবার) এবং ২৭ মে (বুধবার) রাজ্যের সমস্ত সরকারি, আধা-সরকারি অফিস খোলা থাকবে। যেমন স্বাভাবিক কার্যক্রম হয়, সেরকমই হবে মঙ্গলবার এবং বুধবার। বকরি ইদের জন্য বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
পুজোর ছুটিতেও কাটছাঁট?
আর সেই ঘোষণার পরে প্রশ্ন উঠেছে যে দুর্গাপুজোর ছুটিও কি কমিয়ে দেওয়া হবে? মমতা সরকারের আমলে ছুটির অভাব হত না রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। দুর্গাপুজো, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো, ভাইফোঁটা, ছটপুজো মিলিয়ে লম্বা ছুটিয়ে দিত মমতা সরকার। যা নিয়ে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করতেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, কর্মসংস্কৃতির দোহাই নিয়ে ধর্মঘটের দিন কড়া নির্দেশিকা জারি করা হত। এদিকে মুড়ি-মুড়কির মতো ছুটি দিত মমতা সরকার। তাতে কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হত না কিনা, তা নিয়ে কটাক্ষ করতেন অনেকেই।

পুজোয় কতদিন ছুটি দেওয়া হয়েছে?
এমনিতে মমতার আমলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২০২৬ সালের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতে দুর্গাপুজোয় ছুটি পড়ে যাবে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে। আর ছুটি থাকবে আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। অর্থাৎ চতুর্থী থেকে ছুটি পড়ে যাবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পেরিয়ে বাড়তি ছুটি কাটিয়ে অফিসে আসতেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। যদিও শেষপর্যন্ত অতদিন ছুটি থাকবে কিনা, তা নির্ভর করছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের উপরে।