চাকরি চুরি, নিয়োগ দুর্নীতি থেকে বেকারত্বের জ্বালা- সেই রোষেই কি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের একের পর এক মন্ত্রী হেরে যাচ্ছেন? সেরকম সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আপাতত তৃণমূল সরকারের কমপক্ষে ১৫ জন বিদায়ী মন্ত্রী পিছিয়ে আছেন। যে তালিকায় আছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, অর্থ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো হেভিওয়েট মন্ত্রীরা।
কোন কোন মন্ত্রী হেরে যাচ্ছেন?
১) ব্রাত্য বসু (দমদম): ৮,০৬৯ ভোটে বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী পিছিয়ে আছেন।
২) চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (উত্তর দমদম): ২,০০২ ভোটে পিছিয়ে আছেন অর্থ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
৩) ইন্দ্রনীল সেন (চন্দননগর): পর্যটন মন্ত্রী আপাতত পিছিয়ে আছেন। ৪,১৬০ ভোটে পিছিয়ে আছেন।
৪) সুজিত বসু (বিধাননগর): ১২,০৮৪ ভোটে পিছিয়ে আছেন বিদায়ী দমকল মন্ত্রী।
৫) সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (মন্তেশ্বর): হেরে বিদায়ী গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ১৪,৭৫৮ ভোটে জিতলেন বিজেপির প্রার্থী সৈকত পাঁজা।
৬) প্রদীপ মজুমদার (দুর্গাপুর পূর্ব): ১২,৮২৬ ভোটে পিছিয়ে আছেন। যিনি রাজ্যের বিদায়ী পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দফতরের মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান কৃষি উপদেষ্টা।
৭) পুলক রায় (উলুবেড়িয়া দক্ষিণ): ৭৪৩ ভোটে পিছিয়ে আছেন বিদায়ী জনস্বাস্থ্য কারিগরি এবং পূর্তমন্ত্রী।
৮) সত্যজিৎ বর্মণ (হেমতাবাদ): ১৩,৮১৫ ভোটে পিছিয়ে আছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

৯) স্নেহাশিস চক্রবর্তী (জাঙ্গিপাড়া): বিদায়ী পরিবহণ মন্ত্রী পিছিয়ে আছেন ৫,০০১ ভোটে।
১০) উদয়ন গুহ (দিনহাটা): ৬,৫৩৭ ভোটে পিছিয়ে আছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী।
১১) বীরবাহা হাঁসদা (বিনপুর): ১৩,২৩৭ ভোটে পিছিয়ে আছেন বিদায়ী বনমন্ত্রী।
১২) মানস ভুইঁয়া (সবং): বিদায়ী সেচ ও জলপথ মন্ত্রী আপাতত পিছিয়ে আছেন ৪,৪৯৩টি ভোটে।
১৩) শ্রীকান্ত মাহাতো (শালবনি): ১০,৯৫৮ ভোটে পিছিয়ে আছেন ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী।
১৪) স্বপন দেবনাথ (পূর্বস্থলী দক্ষিণ): বিদায়ী প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী পিছিয়ে আছেন ১৩,৮৯৮ ভোটে।
১৫) শশী পাঁজা (শ্যামপুকুর): বিদায়ী শিল্পমন্ত্রী পিছিয়ে আছেন শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে। ৪,৪০৫ ভোটে পিছিয়ে তিনি।
১৬) অরূপ বিশ্বাস (টালিগঞ্জ): পিছিয়ে গিয়েছেন বিদায়ী মন্ত্রী। ১,৫২২ ভোটে এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী।