WB SIR Protest Latest Update। এসআইআর নিয়ে মালদায় নতুন করে বিক্ষোভ-অবরোধ

Spread the love

মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সামনে এসআইআর ইস্যুতে বিক্ষোভ আজ সকালে। প্রসঙ্গত আজ মালদার বৈষ্ণবনগরে নির্বাচনী জনসভা রয়েছে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরই মাঝে মালদায় উত্তেজনা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে। এই আবহে আজও মালদায় জায়গায় জায়গায় ফের নতুন করে বিক্ষোভ অবরোধ শুরু হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরাতন মালদা ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় আজ সকাল থেকে রাস্তায় নেমেছে বিক্ষোভকারীরা। অবরোধস্থলে মোতায়েন রয়েছে মালদা থানার পুলিশ বাহিনী। এছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও রয়েছে সেখানে।

এদিকে নারায়ণপুরে বিএসএফ ক্যাম্পের বাইরে বিক্ষোভকারীদের হাতে জাতীয় পতাকা ছিল। সঙ্গে প্ল্যাকার্ড ছিল হাতে। তাতে লেখা – ‘আগে ভোটার, পরে ভোট’। এই নিয়ে স্লোগানও তুলতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এই আবহে এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, তার জন্য পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে ঘটনাস্থলে। এদিকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ফের একবার অবরোধ করেছে বিক্ষোভকারীরা। বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয়েছে রাস্তা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। এই সবের মাঝেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মালদার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ পিকেট বসেছে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং মালদা-মোথাবাড়ি রাজ্য সড়কের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এর আগে গত ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। তাঁদের মধ্যে চারজন আবার মহিলা বিচারক ছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বারবার বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে শুনিয়েও অবরোধ প্রত্যাহার করাতে পারেনি। পরে গভীর রাতে পুলিশ সেই ৭ বিচারককে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

জানা যায়, প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে ঘেরাও ছিলেন ৭ বিচারক। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস থেকে যখন বিচারকদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সেই কনভয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ কনভয়ের গাড়ির কাচ ভঙেছে সেই হামলায়। এদিকে ইতিমধ্যেই ডিজি-র কাছে এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, বিচারাধীন নামের নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিচারকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই পরিস্থিতিতে হাইকোর্টে পর্যন্ত ফোন গিয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *