শীঘ্রই ইরান যুদ্ধ থামানোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই বার্তার মাঝেও আবার ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। এরই মাঝে এবার পশ্চিম এশিয়ায় আরও এক বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে তাঁর প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ইউএসএস জর্জ এইচডাব্লু বুশকে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই রণতরীতে এফ১৮ হর্নেট, এফ৩৫সি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৮০টির বেশি বিমান নাকি এই রণতরী বহন করতে পারে। এছাড়া এই রণতরীতে টমাহক সহ ৯০টির বেশি মিসাইল রয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকার পূর্ব উপকূলে ভার্জিনিয়া থেকে ইতিমধ্যেই জর্জ বুশ রওনা দিয়েছে পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে। তবে এই রণতরী নিজের সর্বোচ্চ গতিতে (ঘণ্টায় ৫৭ কিমি) বেগে ছুটলেও আগামী ৮-১০ দিনের আগে পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে তা পৌঁছতে পারবে না। এই আবহে মনে করা হচ্ছে, বাস্তবিক অর্থে পশ্চিম এশিয়ায় যেতে গেলে এই রণতরীর প্রায় ২ সপ্তাহ মত সময় লাগবে।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে একের পর এক ‘দুর্ঘটনার’ মুখে পড়ে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এইএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি এই রণতরীতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সেই আগুন ৩০ ঘণ্টা ধরে জ্বলেছিল। এর জেরে বেশ কয়েকজন নৌসেনা সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে প্রায় ৬০০ নাবিক বিছানা হারিয়েছেন। তারা রণতরীর টেবিল বা মেঝেতে ঘুমাচ্ছিলেন। এর আগে এই জেরাল্ড আর ফোর্ডে শৌচালয় জাম হয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কোনও নাবিকের কাণ্ডেই সেই ঘটনা ঘটেছিল।
এর আগে ইরান যুদ্ধে মোতায়েন যুদ্ধবিমানবাহীন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে মিসাইল হামলার দাবি করেছিল আইআরজিসি। যদিও সেই দাবি খারিজ করে আমেরিকা। তবে ইরান বলেছিল, ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানের মিসাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটিক আমেরিকা সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করে আইআরজিসি। তবে আমেরিকা দাবি করে, এমন কিছুই ঘটেনি। ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এখনও অপারেশন এপিক ফিউরিতে মোতায়েন রয়েছে।
