এবার ‘ভাই’ বাংলাদেশের সঙ্গে বেশি করে ‘এনগেজ’ করবে পাকিস্তান

Spread the love

যে দেশের মহিলাদের ধর্ষণ করতেন তাঁর দেশের সেনার লোকজন, তাঁদেরকেই এবার ‘ভাই’ বলে উল্লেখ করলেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি দাবি করলেন, শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের কুর্সিতে ছিলেন, ততদিন ইসলামাবাদকে পাত্তাও দিত না ঢাকা। সেইসময় বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও ‘এনগেজমেন্ট’ ছিল না। কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশে গিয়ে বিএনপি, প্রাণের জামাত এবং এনসিপির সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের আমলে। আর আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের পরে ঢাকার সঙ্গে আরও বেশি করে পাকিস্তান ‘এনগেজ’ করবে বলে জানিয়েছেন দার।

হাসিনার আমলে জুটত না কিছুই, আক্ষেপ পাক মন্ত্রীর

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী তথা উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি আমন্ত্রণপত্র দিতে ১১-১২ বছর আগে (বাংলাদেশে) গিয়েছিলেন হিনা রাব্বানি খান। কিন্তু কোনওরকম আলাপ-আলোচনা হয়নি। কারণ ওই সময় যে পরিস্থিতি ছিল, ওই সময় যিনি (বাংলাদেশের) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, ওই সময় (বাংলাদেশের) যে সরকার ছিল, তা অত্যন্ত পাকিস্তান-বিরোধী ছিল। একটি বহুদেশীয় অনুষ্ঠানের জন্য উনি (হিনা) আমন্ত্রণপত্র দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও বৈঠক হয়নি।’

নিজের ‘ভাইয়ের’ দেশের মেয়েদের ধর্ষণ! কিছু বললেন না পাক মন্ত্রী

সেই রেশ ধরেই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী দাবি করেন, ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। তিনি নিজে বাংলাদেশের বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছেন। আর ভোটের পরে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি করে ‘এনগেজ’ করবে পাকিস্তান। যে বাংলাদেশকে ‘ভাই’ বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী। যদিও কোন দেশ অস্ত্র হিসেবে নিজের ‘ভাইয়ের’ দেশের মেয়েদের ধর্ষণ করে, তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি।

বাংলাদেশে পাকিস্তান-পন্থী ‘উপাদান’-দের উত্থান

এমনিতে হাসিনা পতনের পরে বাংলাদেশে পাকিস্তান-পন্থী ‘উপাদান’-দের গলা শোনা যাচ্ছে ফের। ইঁদুর মরলেও তাতে ভারতের দিকে আঙুল তোলা হচ্ছে। তারইমধ্যে এখন বাংলাদেশে চরম অশান্তি চলছে। কট্টর ভারত-বিরোধী হাদির মৃত্যুর পরে নতুন করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশে। আগুনে পুড়িয়ে খুন করা হয় হিন্দু যুবককে। তাণ্ডব চালানো হয় বিভিন্ন প্রান্তে। বাংলাদেশের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়ের মতো বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *