Vashu Bhagnani: ১৯৯৯ সালে মুক্তি পায় ‘বিবি নম্বর ওয়ান’, যেটি প্রযোজনা করেছিলেন বাশু ভাগনানি। এই ছবির একটি অন্যতম জনপ্রিয় গান ছিল চুনরি চুনরি, যেটি ডেভিড ধাওয়ান তাঁর নতুন ছবি ‘হ্যায় জাওয়ানি তো ইশক হোনা হে’ ছবিতে ব্যবহার করেছিলেন। এই গোটা ব্যাপারটি নিয়ে নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রযোজক।
সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠকে প্রযোজক জানান, ‘বিবি নম্বর ওয়ান’ ছবির গান ব্যবহারের অধিকার ‘টিপস’-এর নেই। এমনকি নতুন গল্পের সঙ্গে পুরনো গল্পের অনেক মিল রয়েছে। ‘কুলি নম্বর ওয়ান’ ছবির জন্যেও প্রযোজকের প্রায় ২৭ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছিল, যদিও তিনি নামমাত্রই প্রযোজক ছিলেন।
গোবিন্দার ‘কুলি নম্বর ১’ সেই সময় বক্স অফিসে দুর্দান্ত ফলাফল করেছিল কিন্তু বহু বছর পর যখন পরিচালক আবার বরুণ ধাওয়ানকে নিয়ে এই ছবিটি পুনরায় নির্মাণ করেন তখন ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। সম্প্রতি প্রযোজক ভাশু বাগনানি এই গোটা ব্যাপারটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানের।
শুক্রবার একটি সংবাদ সম্মেলনে ডেভিডকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বিবি নাম্বার ওয়ান’ গানগুলি পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব নয়। ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক খোনা হ্যায়’ গল্পের সঙ্গে বিবি নাম্বার ওয়ান গল্পের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আমি ডেভিডজিকে বলেছিলাম আমি বিবি নাম্বার ওয়ান বানাতে চাই। কুলি নাম্বার ওয়ান আবার বানাতে গিয়ে আমাদের প্রায় ২৭ কোটি টাকার লোকসান হয়েছিল। প্রযোজনা এবং খরচের বেশিরভাগ দায়িত্ব ডেভিড জি নিজেই সামনে ছিলেন। আমি শুধু ছবিটা বানানোর জন্য ৭০ কোটি টাকা দিয়েছিলাম, যা প্রায় কিছুই নয়।’
প্রযোজক আরও বলেন, সেই সময় ছিল মহামারীর সময়। পরিচালক আমাকে বলেছিলেন যা ক্ষতি হওয়ার হয়েছে সেটা ভবিষ্যতেই সামলে নেওয়া যাবে। বিবি নাম্বার ওয়ান শুরু করা যাক। আমরা একটা স্ক্রিপ্টের উপর ছয় মাস কাজ করেছিলাম। একদিন রোহিত ধাওয়ান আমাকে বলেন, চিত্রনাট্য এখনো তৈরি হয়নি। আমি বলেছিলাম তাড়াহুড়ো করার কোন দরকার নেই। আমরা ধীরে ধীরে ছবি বানাই। বরুণের একবারও মনে হয়নি যে আমার কথাটা ক্ষতি হয়েছে, একবারও আমার কথা জিজ্ঞাসা করেনি।

বাশু আরও বলেন, ‘চুনারি চুনারি’ গানটি নতুন ছবিতে ব্যবহার করার খবর পেয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে ফোন করি ডেভিড ধাওয়ানকে। তখন জানতে পারি টিপস- এর রমেশ তুরানি এবং উনি একসঙ্গে কাজ করছেন। ব্যাপারটা আমার ভীষন খারাপ লাগে। বিবি নাম্বার ওয়ান মুক্তির সময় গানগুলির অডিও স্বত্ব ওই মিউজিক সংস্থাকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ব্যাপারে আমার সঙ্গে আলোচনা করতে কেউ রাজি ছিলেন না।