তৃণমূল কর্মীর বাড়ি থেকে ১০০ বোমা উদ্ধারকাণ্ডে তদন্তে এনআইএ

Spread the love

ভাঙড়ে তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এবার এনআইএ তদন্তে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নির্বাচনের মাঝে প্রায় ১০০টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছিল ভাঙড় থেকে। এদিকে ভোটের আগে ভাঙড় থেকে বামুনিয়া বিস্ফোরকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে শওকত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা ওয়াহিদুল ইসলাম। আর ২৬ এপ্রিল ১০০টি বোমা উদ্ধারের ঘটনাটিও ঘটে এক তৃণমূল কর্মীর পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর কাশীপুর থানার অন্তর্গত ছেলেগোয়ালিয়া এলাকায় একটি তৃণমূল কর্মীর বাড়ির পিছনে থাকা বাগান থেকে এই ১০০টি বোমা উদ্ধার করা হয়। সেই ঘটনাতেই এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য, এর পিছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এদিকে ভাঙড়ে পরপর বোমা উদ্ধারের ঘটনায় কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনও।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে। তল্লাশির সময় একটি ব্যাগের সন্ধান মেলে। তাতে পাওয়া যায় প্রায় ১০০টি তাজা বোমা। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে ডেকে আনা হয়। এই আবহে ভাঙড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। আইএসএফের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এই বোমাগুলি মজুত করে রেখেছিল। ভোটের আগে সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখাতে চাইছে ঘাসফুল শিবির।

যদিও আইএসএফের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের শাসকদলের পালটা দাবি, চক্রান্ত করে তৃণমূলকে বদনাম করতেই আইএসএফ কর্মীরা রাতের অন্ধকারে বোমা রেখে দিয়ে যায় সেখানে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভাঙড় বিধানসভা এলাকায় এর আগেও বোমা উদ্ধার হয়েছে। আবার রাজনৈতিক হিংসাতে বোমাবাজির ঘটনাও ঘটেছে। এই আবহে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এদিকে ভাঙড়ে বোমা উদ্ধার নিয়ে রাজ্য পুলিশকে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই সঙ্গে কমিশনের কড়া নির্দেশ, যারা বোমা তৈরি করছে, তাদের গ্রেফতার করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *