জঙ্গলের পটভূমিতে তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ অর্থাৎ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরম স্নেহে জড়িয়ে ধরে আছেন এক মিষ্টি খুদেকে। চোখে চশমা, গোলাপি জামা আর একগাল হাসি নিয়ে সেই ছোট্ট মেয়েটি এখন সিরিয়াল প্রেমীদের চেনা মুখ।শ্রীরামপুরের মেয়ে। মাত্র ১২ বছর বয়সে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। সিনেমা, ওয়েব সিরিজের পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও পা দিয়েছেন। টেলিপাড়ার হার্টথ্রব নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। হ্যাঁ, ইনিই হলেন জি বাংলার জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল ‘মিত্তির বাড়ি’-র প্রধান মুখ— পারিজাত চৌধুরী।
বুম্বাদা কানেকশন:
অনেকেই হয়তো জানেন না, পারিজাতের কেরিয়ারের একদম শুরুর দিনগুলোতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বড় অবদান ছিল। এখন পারিজাতের বয়স সবে ১৮! স্টার জলসার মহানায়ক সিরিয়ালে সুচিত্রা সেন কন্যার চরিত্রে দেখা মিলেছিল পারিজাতের।
ভাইরাল হওয়া এই ছবিটি আসলে কোনো এক আউটডোর শুটিংয়ের সময়ের। পারিজাতের অভিনয় জীবন খুব ছোটবেলা থেকেই শুরু হয়েছিল। প্রসেনজিতের সঙ্গে তাঁর এই রসায়ন কেবল ছবির পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও দাদা-বোনের মতো অটুট। অপর্ণা সেনের ‘আরশি নগর’-এর মাধ্যমেই ক্যামেরার সঙ্গে আলাপ পারিজাতের। হইচইয়ের ইন্দুবালা ভাতের হোটেলে-র ছোট ইন্দু হিসাবে চর্চায় উঠে আসেন।

মহানায়কের সুবাদেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের স্নেহধন্যা পারিজাত। ছোটপর্দাতেও ‘বুম্বা আঙ্কেল’-এর হাত ধরেই জার্নি শুরু হয়েছে তাঁর। মিত্তির বাড়ির প্রযোজক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই ছোট্ট পারিজাত আজ নিজের অভিনয় গুণে দর্শকদের চোখের মণি হয়ে উঠেছেন।
আজকের পারিজাত:
‘মিত্তির বাড়ি’র পর আপাতত ছোটপর্দা থেকে দূরে। আদৃত ফিরছেন বড়পর্দায়। সিরিয়াল শেষ হলেও দুজনের মধ্য়ে বন্ধুত্ব কিন্তু অটুট।