Bangladeshi woman arrested in India: স্বামীর সঙ্গে ঝামেলার পরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একজনের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। যে ব্যক্তিকে আবার স্বামীর মতোই দেখতে। তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর হতেই ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ভারতে চলে আসেন। ৯০ দিনের ভিসা ভারতে এলেও তারপর থেকে আর বাংলাদেশে ফিরে যাননি। সেই মহিলাকে পাকড়াও করল হরিদ্বার পুলিশ। লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে ৪১ বছরের সাহেলা বেগম নামে ওই মহিলা ভারতীয় প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে করে নেন। ভুয়ো নথি তৈরি করে থাকতে শুরু করেন ভারতে। তাঁর প্রেমিক শ্যামদাস (৪৫) চার বছর ধরে হরিদ্বারে লিজে হোটেল চালাচ্ছেন।
প্রথমে দিল্লিতে, পরে হরিদ্বারে থাকতে শুরু করেছিল সাহেলা
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার জেলার জ্বালাপুর এলাকায় বুধবার ‘অপারেশন প্রহার’-এর সময় এই ঘটনাটি সামনে আসে। পুলিশি জেরায় বাংলাদেশি মহিলা পরিচয় গোপন করে থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার এসএসপি নবনীত সিং ভুল্লার জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহেলার পরিচয় হয় ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরের বাসিন্দা শ্যামদাসের সঙ্গে। তারপর তিনি ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও তিনি ফিরে যাননি। বরং প্রথমে দিল্লি ও পরে হরিদ্বারে থাকতে শুরু করেন।
সাহেলা হয়ে গিয়েছিল ‘সুইটি’
তারইমধ্যে হরিদ্বারে শ্যামদাসকে বিয়ে করেন সাহেলা। ‘সুইটি’ নামে ভুয়ো নথি ও পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতীয় সেজে বসবাস করতে শুরু করেন। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে হরিদ্বার আসার পরে শ্যামদাসের সাহায্যে মহিলা ‘সুইটি’ নামে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিয়ের সার্টিফিকেট এবং ভারতীয় পাসপোর্টও তৈরি করিয়েছিলেন।

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৪ মার্চ বাংলাদেশি মহিলার পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছিল। তার ভিত্তিতে দু’জনে রেজিস্ট্রি করেন। আধার কার্ড ও বিয়ের সার্টিফিকেট হরিদ্বার থেকে তৈরি করা হয়েছিল। শ্যামদাস জানিয়েছেন যে সিএসসির সহায়তায় তৈরি করা হয়েছিল আধার কার্ড।