ভোট স্ট্র্যাটেজি জানিয়ে কর্মীদের কোন বিষয়ে সতর্ক করলেন মমতা

Spread the love

নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে এদিন ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে কর্মীসভায় যোগ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম তাবড় প্রতিপক্ষ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, যে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ২০২১র ভোটে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা।

এদিন, ভবানীপুরে তৃণমূলের কর্মিসভায় যোগ দিয়ে মমতা বলেন, ‘এখন থেকেই সতর্ক থাকুন। ভোট শেষ মানেই বাড়ি চলে যাবেন না।’ দিদি এদিন ভোট নিয়ে কর্মীদের স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিতে গিয়ে সতর্কতার সুরে বলেন, ‘লোডশেডিং করে দিতে পারে। স্ট্রং রুমে নজর রাখতে হবে। এখন থেকেই সতর্ক থাকুন। ভোট শেষ মানেই বাড়ি চলে যাবেন না। লোডশেডিং করে দিতে পারে। স্ট্রং রুমে নজর রাখতে হবে।’ উল্লেখ্য, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই একদিকে যেমন দলীয় শক্তির পরীক্ষা তেমন অন্যদিকে প্রেস্টিজ ফাইট। দলের সুপ্রিমোকে জেতাতে এই ভবানীপুর কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি মার্জিনে জেতার টার্গেট ঘাসফুল কর্মীদের ওপর রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি। আর রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় গিয়ে দিদি কার্যত কর্মীদের, এই ভোটপর্ব নিয়ে নানান টিপস দিলেন।

এদিন, কর্মিসভায় ভোট নিয়ে অভিষেকের সাফ বার্তা ছিল, ‘কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে। ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জিততে হবে।’ কার্যত তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কলকাতার বাকি যেকোনও কেন্দ্রের তুলনায় ঘাসফুল শিবিরের নেত্রীর এই কেন্দ্রে যেন তৃণমূলের মার্জিন সবার চেয়ে আগে থাকে। এদিন অভিষেক সাফ বলেন,‘কেন্দ্রীয় বঞ্চনা আমরা ভুলতে পারি না।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন,‘ যাদের এতদিন খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারা এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। এগুলো মানুষকে বোঝান। আমাদের সরকারের প্রকল্পের পাশাপাশি মোদির প্রকল্পের কী পার্থক‌্য মানুষকে বলুন। কোথাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছে? একবার নয়, মানুষের কাছে আমাদের তিনবার করে যেতে হবে। ‘দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা’ নিয়ে মানুষের কাছে যান।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *