লক্ষ্মীপুজো থেকে কালীপুজো, প্রায় সব পুজোয় হয় মল্লিক বাড়িতে। শুধু তাই নয়, প্রতি পূর্ণিমা এবং অমাবস্যা তিথিতে হয় নিত্যপুজো। তবে শ্রীময়ীর বিয়ের আগে এই পুজোর নিয়ম ছিল না। সবকিছুই শুরু হয়েছে কাঞ্চনের বিয়ের পর থেকেই। এবারেও তার অন্যথা হবে না। কতটা এগিয়েছে পুজোর প্রস্তুতি?কালীপুজোর আগে সংবাদ প্রতিদিনকে শ্রীময়ী জানান, দুর্গাপুজো ইচ্ছে হলেও করা যায় না তাই কালীপুজো শুরু করেন তিনি। একদিনের পুজো হলেও খাটনি নেহাত কম নয় তাই পুজোর আগের রাত থেকে শুরু হয় বাড়ি সাজানোর কাজ। পুজোর দিন সকালে ফুল কিনে নিয়ে ঠাকুর স্থান পরিষ্কার করে হয় পুজোর প্রস্তুতি।
শ্রীময়ী আরও জানান, কালীঘাটের একটি দোকান থেকে গত চার বছর ধরে কিনে আনা হয় মা কালীর জন্য বেনারসি। অর্ডার দিয়ে বানানো হয় গয়না। মুকুট থেকে শুরু করে নূপুর, গা ভর্তি গয়না দিয়ে সাজানো হয় মাকে।
অভিনেত্রী আরও জানান, ভোগেও থাকে এলাহী আয়োজন। খিচুড়ি, লাবড়া, পাঁচ রকমের ভাজা, ফুলকপি, পনির, বাঁধাকপি, চাটনি, মিষ্টি আর পায়েস। আগের বছর গর্ভবতী হওয়ার কারণে ভোগ রান্না করতে পারেননি শ্রীময়ী তাই এবার মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই রান্না করবেন তিনি।
কেন হতো না কালীপুজো?

অভিনেত্রী জানান, ২০১১ সালের আগে প্রত্যেক কালীপুজোয় বাড়ি অন্ধকার করে রাখতেন কাঞ্চন। পরপর দু’বছর কালীপুজোর দিন মায়ের সঙ্গে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে, যার পর কালীপুজো বন্ধ করে দেন তিনি। অবশেষে শ্রীময়ীর আগমনী আবার নতুন করে শুরু হয় মায়ের আরাধনা।
প্রসঙ্গত, কাঞ্চনের মা সাধক রামপ্রসাদের বংশধর তাই বাড়িতে কালীপুজো হওয়া খুবই স্বাভাবিক। পূর্ববর্তী কিছু ঘটনায় সেই পুজো বন্ধ হলেও আবার নতুন করে সমস্ত নিয়ম মেনে শ্বশুরবাড়িতে পুজো শুরু করেছেন শ্রীময়ী, যদিও তাতে গোটা শ্বশুরবাড়ির সাহায্য পান তিনি।