‘মাইকিং করে মারধর এনিসিপিকে’! ভোটে হারতেই বিপ্লবীদের ‘ডোজ’ বাংলাদেশে

Spread the love

বড় বড় কথা বলে বিপ্লবী ‘পোলাপানদের’ দল এনসিপি নির্বাচনে লড়েছিল জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে। তবে মাত্র ৩০টি আসনে লড়ে ৬টি আসনে কোনওমতে জয়লাভ করেছে তারা। তাদের একাধিক হেভিওয়েট নেতাকেও হারতে হয়েছে। এই আবহে দলের শীর্ষ নেতারা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের দলের নেতাকর্মীদের নাকি মারধর করা হচ্ছে। এতদিন ইউনুস জমানায় এনসিপির কর্মী-সমর্থকরা যাকে পেরেছে তাকে মেরেছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এরা। এবার ভোটে হারা এনসিপিকে নাকি তাদেরই ‘ওষুধের ডোজ’ দেওয়া হচ্ছে।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম নিজে পঞ্চগড়ে ভোটে লড়ে হেরেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর এলাকায় নাকি এনসিপি নেতাকর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। ফেসবুকে ভিডিয়ো বার্তায় এই অভিযোগ করেছেন তিনি। আবার দলটির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনে লড়াই করে জেতা আখতার হোসেনও দাবি করেছেন, মাইকিং করে নাকি এনসিরি নেতাকর্মীদের মারধর করা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। এই আবহে বিএনপির দিকে আঙুল তুলেছেন এনসিপি নেতা।

ফেসবুক পোস্ট করে আখতার হোসেন লেখেন, ‘বিকেল থেকে হারাগাছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের ধরে ধরে আক্রমণ করছে। মারধর করে রক্তাক্ত করছে। অনেকগুলো বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়ে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটপাট করেছে। মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। ক্ষমতায় আসতে না আসতেই বিএনপি হারাগাছে সন্ত্রাস শুরু করেছে।’

এদিকে এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদও অভিযোগ করেছেন, এনসিপি এবং ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এই নিয়ে দলের মুখপাত্র বলেন, ‘এনসিপি এবং জোটের কর্মীদের বাড়িঘর এবং পরিবার হুমকির সম্মুখীন। যারা বিজয়ী হয়েছেন তারা আপনাদের নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুণ। গণতান্ত্রিক উত্তরণের শুরুটাই যদি বিরোধীদল ও মতের মানুষদের নিপীড়নের মধ্য দিয়ে হয় তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *