মেসির ইভেন্ট-কাণ্ডের নাম না করে সরব মোদী

Spread the love

নদিয়ায় শনিবার ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জোড়া সভা। তবে সভাস্থল পর্যন্ত এদিন পৌঁছতেই পারেনি প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার। খারাপ আবহাওয়ার কারণে কপ্টার ফিরে যায় কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকেই ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে বিজেপি কর্মী সদস্যদের উদ্দেশে বার্তা দেন মোদী। তবে সেই সভার ঘণ্টা পাঁচেক কাটতে না কাটতেই মোদী এক্স হ্যান্ডেলে জানান,’ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যা আমি রানাঘাটের সভায় আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আবহাওয়ার কারণে সেখানে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারিনি। নিচে একটি থ্রেডে সেই বিষয়গুলির বিবরণ দিলাম।’ এরপরই আসে মোদীর পর পর পোস্টের থ্রেড।

এদিনের মোদীর ভার্চুয়াল ভাষণে মতুয়া প্রসঙ্গ উঠলেও এসআইআর ইস্যুতে মতুয়া-উদ্বেগ কমানো নিয়ে সেভাবে কিছু উঠে আসেনি। তবে মোদী সন্ধ্যায় তাঁর পোস্টে এই বিষয়ে লেখেন,’ আমি প্রত্যেকটি মতুয়া ও নম:শূদ্র পরিবারকে আশ্বাস দিচ্ছি, আমরা সর্বদা তাঁদের সেবা করব। তাঁরা তৃণমূলের অনুগ্রহে এখানে নেই। তাঁরা আমাদের সরকারের প্রণয়ন করা CAA-এর মাধ্যমে সম্মানের সঙ্গে ভারতে বসবাস করার অধিকার পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হলে মতুয়া ও নম:শূদ্র সমাজের জন্যে আমরা আরো বেশি করে কাজ করব।’ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মোদীর পোস্ট থ্রেডে লেখা হয়,’ তৃণমূল সর্বশক্তি দিয়ে সেই অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করে চলেছে, যারা পশ্চিমবঙ্গের গরিব মানুষকে লুট করছে, রাজ্যে সন্ত্রাস ও অস্থিরতা ছড়াচ্ছে এবং আমাদের নারীশক্তির উপর বর্বর অত্যাচার চালাচ্ছে।’ একইসঙ্গে তাঁর বার্তা,’ পশ্চিমবঙ্গের জনগণের প্রতি মোদীর প্রতিশ্রুতি, রাজ্যে একবার বিজেপি সরকার গঠিত হলেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মোদীর বার্তা,’পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আমি সতর্ক করেছি তৃণমূল কংগ্রেসের চক্রান্ত নিয়ে, যারা অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে সর্বতোভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ এরই সঙ্গে পোস্টে উঠে আসে,’ তৃণমূলের অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি সমর্থন কতটা গভীর, তা বোঝা যায়, যখন তাদের সমর্থকরা ‘মোদী গো ব্যাক’ বলতে দ্বিধা করেন না, কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের ‘গো ব্যাক’ বলার সময় নীরব হয়ে যান।’

স্বভাবসিদ্ধ মেজাজে মোদী কাটমানি নিয়েও তাঁর পোস্টে তৃণমূলকে খোঁচা দেন। প্রধানমন্ত্রী পোস্টে বার্তা দেন,’ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে এমন একটি সরকার রয়েছে, যার মনোযোগ মূলতঃ কাটমানি ও কমিশনে। এর ফলে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প আটকে রয়েছে। আমি বাংলার জনগণের কাছে আবেদন করেছি, বিজেপিকে একবার সুযোগ দিন…।’ প্রধানমন্ত্রীর পোস্টে লেখা রয়েছে,’গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অনেক সহ্য করেছেন। রাজ্যের নারীশক্তির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *