নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের দিন গিরিশপার্কে যে ঝামেলা হয়েছিল, তা নিয়ে ফের কলকাতা পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফ থেকে গিরিশপার্কের ঘটনা রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। তাই আবারও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকা হয়নি, তা নতুন রিপোর্টে বলতে বলা হয়েছে।
এর আগে পুলিশ যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া এফআইআর এবং গ্রেফতারি নিয়ে বলা হয়েছে। তবে রিপোর্টে বলা হয়নি, কেন এই ঘটনার জন্য আগাম প্রস্তত ছিল না পুলিশ। এদিকে গিরিশপার্কের হিংসায় পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের মারধর, দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাঙচুর, বেআইনি জমায়েত-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে মোট ৯ জনকে গ্রেফতারও করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ, ব্রিগেডে মোদীর সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে বিজেপি কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। সেই সময় বিজেপি কর্মীদের বহনকারী বাসের ওপর হামলা হয়। এদিকে তৃণমূল অভিযোগ করে, বিজেপি কর্মীরা নাকি মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থাকা ‘বয়কট বিজেপি’ পোস্টার ছিড়ে ফেলে। পরে মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা করে। তাতে নাকি শশী পাঁজা এবং একাধিক তৃণমূল কর্মী জখম হন। এদিকে তৃণমূলের হামলায় একাধিক বিজেপি কর্মীও জখম হন। তৃণমূল কর্মীদের ছোড়া পাথরের আঘাতে কারও কারও মাথা ফেটে যায়। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল। এদিকে পুলিশ ইচ্ছে করে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করছে এই মামলায়।
