যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় থামেনি ইসরাইলি হামলা! বাড়ছে হতাহত

Spread the love

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও থামছে না ইসরাইলি হামলা। মধ্য গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে হামলায় তিন ফিলিস্তিনি পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এছাড়া উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন দুই ফিলিস্তিনি। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।

যুদ্ধবিরতির মাঝেই গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলায় উপত্যকার তিন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। স্থানীয় সময় রোববার (২৮ জুন) এক বিবৃতিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করে, নিহতরা তাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন। এ কারণেই তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

 

উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় উম্ম আল-ফাহম স্কুলের কাছে একদল বেসামরিক মানুষের ওপর ড্রোন হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। স্থানীয় সূত্র জানায়, স্কুলটিতে শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। হামলায় হতাহত হন বেশ কয়েকজন।
 
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ সদস্যদের হত্যা প্রমাণ করে গাজায় পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা চায় ইসরাইল। একইসঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী দেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরাইলকে হামলা বন্ধে কার্যকর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে তারা। 
 
 
এদিকে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের সামরিক অভিযানে গাজার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।
 
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, উপত্যকার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং পুনর্গঠনে প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *