২০২৫ সালে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ছুরিকাঘাতের শিকার হন। এই হামলাটি ঘটেছিল তাঁর নিজের বাড়িতেই। বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম অভিনেতার বান্দ্রার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে আক্রমণ করেন। এখন, প্রায় দেড় বছর পর এই মামলায় একটি বড় আপডেট এসেছে। অভিযুক্ত শুক্রবার আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
সইফ আলি খানের মামলায় বড় আপডেট
এই মামলার অভিযুক্ত মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শরিফুল ইসলাম দোষ স্বীকার করে এবং দয়া প্রার্থনা করে আদালতে একটি আবেদন করেছেন। আদালত অভিযুক্তের আবেদনের বিষয়ে সরকারি কৌশলির কাছে জবাব চেয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১১ সেপ্টেম্বর।
ইসলাম কোন কোন মামলায় অভিযুক্ত?
এই মামলায় অতিরিক্ত দায়রা জজ জিপি দেশমুখ মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন। ইসলামের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) প্রাসঙ্গিক ধারায় মারাত্মক অস্ত্র-সহ ডাকাতি, গুরুতর আঘাত এবং বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও ইসলামের বিরুদ্ধে বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট (ভারতে প্রবেশ) বিধিমালার প্রাসঙ্গিক ধারায়ও অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুরো ঘটনাটি কী ছিল?
২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি এক চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশিত হয়। শরিফুল ইসলাম রাতে সইফ আলি খানের বান্দ্রার বাড়িতে জোর করে ঢুকে পড়ে। সে বাথরুম দিয়ে অভিনেতার ছোট ছেলে জেহ-এর ঘরে প্রবেশ করে। সাইফ যখন বাচ্চাদের বাঁচাতে তাদের ঘরে যান, তখন শরিফুল তাঁকে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে পালিয়ে যায়।এই হামলায় সইফ আলি খান গুরুতর আহত হন। লীলাবতী হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলে। সইফের কোমর থেকে ছুরির একটি ভাঙা টুকরো বের করা হয়। প্রায় পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর ছাড়া পান তিনি।
