অবশেষে হল অপেক্ষার অবসান। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উদয়পুরে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বিজয় দেবেরকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। ঘনিষ্ঠ পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবদের উপস্থিতিতে অবশেষে সফল হল দুজনের প্রেম কাহিনি।
বিয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত
গতকাল থেকেই ভক্তরা এই জুটিকে ‘বিরোশ’ বলে সম্মোধন করছেন ভালোবেসে। বৃহস্পতিবার ভোরবেলা উদয়পুর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে আইটিসি মেমেন্টোয়েসে বসে বিবাহ বাসর অনুষ্ঠান। তারকাদের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, সকাল ৮ টায় বিয়ের শুভ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সময় অনুযায়ী সকাল ১০:১০ মিনিটে বিবাহ সম্পন্ন হয়।
চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যায় উদয়পুরে। মঙ্গলবার পুলপার্টি করেন এই দুই তারকা। এরপর বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে বিজয়-রশ্মিকার অনুষ্ঠানের সাজসজ্জার ছবি। ওই একই দিনে অনুষ্ঠিত হয় মেহেন্দি অনুষ্ঠান।
তবে এই অনুষ্ঠানে কোন কোন অতিথি এসেছিলেন তা এখনও জানা যায়নি। কোনও অতিথির ছবিও প্রকাশ্যে আনেননি তারকা। তবে এই সপ্তাহের শুরুতে উদয়পুরে দেখা গিয়েছিল সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা, পেলি চুপুলুর পরিচালক থারুন ভাস্কর, দ্য গার্লফ্রেন্ডের পরিচালক রাহুল রবীন্দ্রন, অভিনেত্রী ঈশা রেব্বা এবং আশিকা রঙ্গনাথ এবং স্টাইলিস্ট শ্রব্য ভার্মাকে।
অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও কিন্তু তিনি বিয়েতে যোগ দিতে পারেননি। তবে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে না পারলেও তিনি বিজয়ের বাবা মাকে একটি চিঠি পাঠিয়ে নব দম্পতির মঙ্গল কামনা করেন।

রশ্মিকা এবং বিজয়ের সম্পর্ক নিয়ে
২০১৮ সালের ‘গীতা গোবিন্দম’ এবং ২০১৯ সালের ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায় একসাথে কাজ করার পর থেকেই রশ্মিকা এবং বিজয় একে অপরের সাথে প্রেম করছেন বলে জানা গেছে। গুঞ্জন সত্ত্বেও, এই দুই অভিনেতা কখনও জনসমক্ষে তাদের সম্পর্কের কথা বলেননি। তাদের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার অনেক আগেই, ভক্তরা তাদের ‘বিরোশ’ নামে ডাকতেন, যা বিজয় এবং রশ্মিকার ডাকনাম রশুর প্রতিরূপ।
গত বছরের অক্টোবরে হায়দরাবাদে এক অন্তরঙ্গ অনুষ্ঠানে এই দম্পতি বাগদান করেন। তাঁরা তাঁদের সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা ঘোষণা করেন এবং বিয়ের চার দিন আগে রবিবার একই রকম নোট পোস্ট করে তাদের ভক্তদের সম্মানে এটিকে ‘বিরোশের বিয়ে’ বলে অভিহিত করেন।