সুখোই ৩০ যুদ্ধবিমানের চাকা ব্যবহার! বিভিন্ন দেশ থেকে আসছেন ভক্তরা

Spread the love

ISKCON in Rath Yatra: হাতে আর একটা দিন। রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম রথযাত্রা উৎসব। এবার কলকাতায় ৫৫ তম রথযাত্রার আয়োজন করা হবে। দক্ষিণ ভারতের তিরুপতি মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে ইসকনের রথ। এবার সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতে অন্যান্য ধর্মের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। রাশিয়া, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে ভক্তরা আসবেন। পূর্বতন সরকারের আমলে যেমন রথযাত্রা উদ্বোধন করতেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রথযাত্রার উদ্বোধন করবেন।

১৬ জুলাই ১১টা ১৫ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী রথের রশিতে টান দিয়ে রথযাত্রার সূচনা করবেন। দুপুর ১২টা নাগাদ ইসকন কলকাতা মন্দির থেকে রথযাত্রা বেরোবে। উদ্বোধনের পর অ্যালবার্ট রোডের কলকাতা ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রার সূচনা হবে। সেখান থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বোস রোড, হাজরা রোড, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহেরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছবে রথ। আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত ময়দানে থাকবে রথ।

প্রতি বছর রথযাত্রায় পুজোর দিনে যেভাবে ভোগের ব্যবস্থা থাকে এবারও সেই ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপশি, দক্ষিণ ভারতের মন্দিরে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে সেসব ভোগ দেওয়া হয় এবার কলকাতায় রথের পুজোয় সেই ভোগেরও ব্যবস্থা থাকবে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটি থেকে প্রসাদ মিলবে। এবার প্রভু জগন্নাথ দেবের রথের উচ্চতা ৩৮ ফুট। প্রভু বলরামের রথের উচ্চতা ৩৬ ফুট। বর্তমানে রথে সুখোই ৩০ যুদ্ধবিমানের শক্তিশালী চাকা ব্যবহার হয়। এর আগে বোয়িং ৭৪৭ বিমানের চাকা ব্যবহার হত। রথ যাতে ভাঁজ করা যায় এমন নকশা ও মজবুত লোহার চাকার তৈরি ব্যবহার করা হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় যথাযথ বাধা না হয় সেই জন্য থাকবে ফোল্ডিং ব্যবস্থা।

২৩ জুলাই উল্টোরথে আবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে জহরলাল নেহেরু রোড হয়ে এসপ্ল্যানেড ক্রসিং, এজেসি বোস রোড, মৌলালি ক্রসিং, ফিলিপস মোড়, আনন্দ পালিত, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, সৈয়দ আমির আলী এভিনিউ হয়ে কলকাতা ইসকন মন্দিরে আসবে রথ। গত বছর সোজা রথ থেকে উল্টো রথ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ ভক্তের মহাসমাগম হয়েছিল কলকাতায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে যাবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা। কলকাতার রথযাত্রায় অংশ নিতে এবার বিশ্বের একাধিক দেশ থেকে বহু বিদেশি ভক্ত কলকাতায় আসছেন। ফলে কড়া নিরাপত্তা বলয় ও নিখুঁত ব্যবস্থাপনায় উৎসবকে সর্বাঙ্গীণ সুন্দর করে তুলতে এখন থেকেই কোমর বেঁধে নামছে পুলিশ প্রশাসন ও ইসকন কমিটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *