বেশ কিছু মাস ধরে শিল্পা শেট্টির নাম বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছে একেবারে অন্যরকম কারণে। ইতিমধ্যেই ৬০ কোটি টাকার যে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাকি অভিনেত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, যদিও সেই খবর একেবারেই উড়িয়ে দেন অভিনেত্রী আইনজীবী প্রশান্ত পাটেল।
এবার শিল্পা শেট্টিও একটি বিবৃতি জারি করে গোটা ঘটনাটি অস্বীকার করেন। অভিনেত্রীর কথায়, ৬০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণায় তাঁর নাম বারবার জড়ানো হচ্ছে, কিন্তু ব্যাপারটা অত্যন্ত অসম্মানজনক। সবাইকে বুঝতে হবে এরকম অপবাদ একজন মহিলার সম্মানহানির জন্য যথেষ্ট।গত মঙ্গলবার শিল্পা শেট্টির বেঙ্গালুরুর ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পর বুধবার যখন শিল্পার দাদরের রেস্তোরায় আয়কর বিভাগে তদন্তকারীরা হানা দেন তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেনি অভিনেত্রী। তিনি বারবার জানান, সংস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিল না তাঁর। এই আর্থিক কেলেঙ্কারিতে তাঁর নাম অবৈধভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
একটি আধ্যাত্মিক নোটে স্বাক্ষর করে শিল্পা বলেন, ‘ভগবদগীতায় উদ্ধৃত হয়েছে, ‘যদিও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনার কর্তব্য, তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে ব্যর্থ হওয়া নিজেই অধর্ম। বিচার প্রক্রিয়ার উপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে এবং আমি আমার অধিকার এবং সুনাম রক্ষার জন্য উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেব।’
প্রসঙ্গত, গত অগস্ট মাসে শিল্পা শেট্টি এবং তাঁর স্বামীর নামে ৬০ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ আনেন মুম্বাইয়ের এক ব্যবসায়ী। এরপর সেপ্টেম্বর মাসে তারকা দম্পতির নামে লুক আউট নোটিশ জারি করে মুম্বই পুলিশ, যার ফলে দেশের বাইরে যেতে পারেন না এই তারকা দম্পতি। যদিও এই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেছিলেন শিল্পা ও রাজ কিন্তু তা নাকচ করে দেন আদালত।

বোম্বে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ ছিল, ৬০ কোটি টাকা জমা দিয়ে তবে দেশের বাইরে যেতে পারবেন তারকা দম্পতি। এখানেই শেষ নয়, এরপর যখন শিল্পার দুই রেস্তোরায় আয় কর বিভাগের কর্মকর্তারা হানা দেন, তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেন না শিল্পা।