Abhishek on police raid: পুলিশি তল্লাশির পরে মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে আর্থিক তছরুপের মামলায় অভিযুক্ত তাঁর আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়কে কি লুকিয়ে রেখেছেন বাড়িতে? সেই প্রশ্নের জবাবে অভিষেক বলেন, ‘আমি তদন্তকারী সংস্থা নই। তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে গিয়ে কথা বলুন। তারা সার্চ করে গিয়েছে। উত্তর তারা দেবে। আমি তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধি নই।’ সেইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘লুকিয়ে রেখেছি কিনা, আমার পুরো বাড়ি সার্চ করা হয়েছে। উত্তর তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা দেবেন।’
জমি কেলেঙ্কারি ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ PA-র বিরুদ্ধে
এমনিতে পুলিশ সূত্রে খবর, জমি কেলেঙ্কারি এবং আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে শালবনি থানায় অভিষেকের আপ্ত-সহায়কের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলার রেশ ধরেই সুমিতের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরেই তল্লাশি চালানো হয় অভিষেকের বাড়িতে। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে নাকি তাঁকে দেখা গিয়েছে। যদিও সরকারিভাবে পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি আপাতত।
অভিষেকের বাড়িতে আসেন মমতা
সেই মামলার প্রেক্ষিতেই রবিবার (ইংরেজি মতে) রাত তিনটে নাগাদ অভিষেকের বাড়িতে শালবনি থানার পুলিশ চলে আসে। কারণ সন্দেহ করা হচ্ছিল যে তৃণমূল সাংসদের বাড়িতেই লুকিয়ে থাকতে পারেন সুমিত। সেই রেশ ধরেই তল্লাশি চালানো হয় অভিষেকের বাড়িতে। সেইসময় তড়িঘড়ি চলে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পরে সকাল আটটা নাগাদ পুলিশ অভিষেকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর অভিষেকের বাড়ি থেকে চলে যান মমতাও। তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।
তালা ভেঙে অভিষেকের বাড়িতে ঢোকে পুলিশ
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে অভিষেকের বাড়িতে তদন্তে সহযোগিতা করা হয়নি। বারবার ডেকেও কোনও সাড়া মেলেনি। সেই পরিস্থিতিতে তালা ভেঙে ঢোকা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা থাকেন পুলিশ আধিকারিকরা। তারপর সকাল আটটা নাগাদ বেরিয়ে যান অভিষেকের বাড়ি ছেড়ে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিশ।
