Ananya-Sukanta Wedding Menu। ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, পোলাও, মাংস, মাছ!

Spread the love

৯ মার্চ বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ অনন্যা গুহ এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সুকান্ত কুণ্ডু। গত বছর দুজনে করেছিলেন আংটি বদল আর রেজিস্ট্রি। আর এবার বছর ঘুরতেই চার হাত এক হওয়ার পালা।

রোজনামচার বেশিরভাগটাই ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে শেয়ার করেন অনন্যা ও সুকান্ত। যার ফলে দুই তারকার বিয়ে কার্ড থেকে করে, প্ল্যানিং সবটাই জেনে গিয়েছে নেটপাড়া। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অনন্যা জানালেন, বিয়ের শপিং বেশরভাগটাই সেরা। এখন বরং জোর কদমে চলছে সঙ্গীতের নাচের প্র্যাকটিস।

একটু কি ভয় লাগছে, মন খারাপ? হবু কনে জানালেন, মন খারাপের প্রশ্নই ওঠে না! বরং ভীষণ উত্তেজিত। হলদি থেকে সংগীত, বিয়ে থেকে বিদাই, সমস্ত লুকই ফাইনা করে ফেলেছেন। বিশেষ দিনগুলোতে কেমন দেখতে লাগবে, বরবেশে সুকান্তকে দেখা, সমস্তটা নিয়ে উত্তেজনা। তবে মা-বাবার একটু মন খারাপ। বিশেষ করে অভিনেত্রীর বাবার। মেয়েকে ছাড়া একা কী করে থাকবেন, সেটাই নাকি ভেবে পাচ্ছেন না।

তা কী কী থাকছে অনন্যা আর সুকান্তর বিয়ের মেনুতে? অভিনেত্রী জানালেন যে, মেনু পুরো বাঙালি। পোলাও-মাংস, ভাত-মাছ, থাকছে সবকিছুই।

২৫ ফেব্রুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্তকে ‘হ্যাপি অ্যানিভার্সারি’ (শুভ বিবাহবার্ষিকী) বলে শুভেচ্ছা জানান অনন্যা। স্বাভাবিকভাবেই ভক্তরা ভেবেছিলেন, হয়তো তাঁদের বাগদানের এক বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু খোলসা করলেন সুকান্ত নিজেই। তিনি সাফ জানান, গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারিই তাঁরা চুপিচুপি সই-সাবুদ করে আইনি বিয়ে সেরে ফেলেছিলেন।

গোপনে বিয়ের খবর জানিয়ে টাক্ষকারীদের পালটা নিয়েছিলেন সুকান্ত। বলেছিলেন, ‘অনেকে বলেছিল বিয়ে টিকবে না, তাদের বলি, বিয়ে হয়েও গেছে আর এক বছর টিকেও গেছে। আমরা যেন বছর পর বছর চলতে পারি একসঙ্গে…’ ! এমনকী সুকান্তর দাবি বিয়ে হয়ে গেছেই বলে অনন্যা তাঁর ফ্ল্যাটে এসে থাকতেন বা তাঁরা একসঙ্গে ঘুরতে যেতেন।

‘আমরা কিন্তু ভালো পরিবারের ছেলেমেয়ে। আমাদের মধ্যে বেসিক এথিকসটা আছে। সেই কারণেই আমার বাড়িতে অনন্যা মাঝেমাঝে এসে থাকে। এই জন্যই ওর বাবা-মা অনুমতি দেন কারণ আমাদের বিয়েটা হয়ে গেছে। আমরা যে ঘুরতেও যাই একসঙ্গে তার অনুমতিটাও মেলে এই কারণেই। বিয়ের আগে কখনও কিন্তু ও আমার বাড়িতে থাকেনি’, বলেছিলেন সুকান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *